বস্তিতে এসিরুম, ভেতরে সুড়ঙ্গপথ

ছবি ভিডিও থেকে নেয়া
বস্তিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঝকঝকে কক্ষ। ভেতরে মাদকের নানা আলামত। তল্লাশিতে মিলল সুড়ঙ্গপথ। পুলিশের ধারণা, সিসি ক্যামেরায় তাদের দেখে সুড়ঙ্গ ধরে পালিয়েছেন ‘মাদক সম্রাজ্ঞী লাইলী বেগম’।
গাজীপুরের টঙ্গীর হাজির মাজার বস্তিতে গতরাতের ঘটনা এটি। রাতভর ওই বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ- জিএমপি। আটক করা হয়েছে ৩১ জনকে, জানালেন জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন।
অভিযানে অংশ নেয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা পুলিশের একাধিক ইউনিট।
টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের বর্ণনায় জানা গেল, গোপন তথ্যে রবিবার রাত ৯টা থেকে সোমবার ভোর ৪টা পর্যন্ত চলে অভিযান। ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত লাইলী বেগমের আস্তানা মেলে সেখানে। পুলিশের নথিতে তিনি চিহ্নিত মাদক কারবারি।
মমতাকে ডোবাচ্ছেন ভাতিজা!
০৪ মে ২০২৬
‘বস্তিতে লাইলির ওই আস্তানা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। বিলাসবহুল আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো। বিভিন্ন রেটে সেখানে মাদকসেবীদের রুম ভাড়া দেয়া হতো। নারীদের জন্য আলাদা রুমও আছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় পুলিশ আসতে দেখে আশেপাশের সব বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।’- বলেছেন থানার ওসি আরিফুর রহমান।
ওই আস্তানায় বিশেষ সুড়ঙ্গপথ পাওয়ার কথা জানিয়ে ওসির দাবি, ‘ওই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে লাইলী ও তার সহযোগীরা দ্রুত পালিয়েছে। বস্তি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকের বিভিন্ন আলামত জব্দ ও ৩১ জনকে আটক করা হয়েছে।’
দীর্ঘদিন ওই এলাকায় প্রকাশ্যে চলত মাদক বেচাকেনা, জানালেন জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার। ‘মাদক সম্রাজ্ঞী লাইলী পালালেও পুরো নেটওয়ার্ককে আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান চলবে... গাজীপুরের এক ইঞ্চি মাটিও মাদক কারবারিদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না’- হুঁশিয়ার করলেন এই কর্মকর্তা।





