গোবিন্দগঞ্জ
ফিল্ম না থাকায় এক মাস ধরে বন্ধ এক্স-রে সেবা

ছবি: আগামীর সময়
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক মাস ধরে এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের বেসরকারি রোগ নির্ণয়কেন্দ্রে গিয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করে এক্স-রে করতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ফিল্ম না থাকায় এক্স-রে সেবা বন্ধ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, এক্স-রে কক্ষের দরজায় তালা ঝুলছে। দরজায় সাঁটানো হয়েছে পরপর তিনটি নোটিস। তার মধ্যে নিচের একটি নোটিসে লেখা রয়েছে- ‘এক্স-রে ফিল্ম সরবরাহ না থাকায় আপাতত এক্স-রে বন্ধ রয়েছে ‘
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ডে গিয়ে কথা হয় এক রোগীর স্বজন ও পলুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহীম মণ্ডলের সঙ্গে। তিনি জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে না হওয়ায় রোগীকে বাইরে থেকে এক্স-রে করানো হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আশিক ইকবাল বললেন, অর্থোপেডিক রোগীদের বেশি এক্স-রে প্রয়োজন হয়। হাসপাতাল থেকে বাইরে রোগী নিয়ে গিয়ে এক্স-রে করানো খুবই ভোগান্তির।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত জুন মাসের মাঝামাঝিতে এক্স-রে ফিল্ম শেষ হয়ে যায়। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমএসআর টেন্ডারের মাধ্যমে এক হাজার ৫০ ফিল্ম ক্রয় করা হয়। সর্বশেষ সার্ভিস চার্জের টাকা থেকে ৩০০ ফিল্ম ক্রয় করা হয়। বরাদ্দ না থাকার কারণে এক্স-রে ফিল্ম কেনা সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবা নেন। বেসরকারি রোগ নির্ণয়কেন্দ্রে ডিজিটাল এক্স-রে করতে রোগীদের খরচ হয় ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। তবে সরকারি হাসপাতালে এর খরচ পড়ে ১০০ থেকে ২০০ টাকা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাসুদার রহমান আকন্দ আগামীর সময়কে জানালেন, ফিল্ম না থাকার কারণে আপাতত এক্স-রে সেবা বন্ধ। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরবরাহ পাওয়া গেলেই এক্স-রে সেবা চালু করা হবে।




