Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

প্রবাসী আয়ে দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে দাগনভূঞা

আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১১:২৯
প্রবাসী আয়ে দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে দাগনভূঞা

দাগনভূঞা জিরো পয়েন্ট থেকে পশ্চিমে বসুরহাট রোড। কয়েক কিলোমিটার সামনে গেলে সুন্দর দ্বিতল বাড়ি ‘মিজান আলয়’। সুন্দর বাড়িটি দেখে পথচারীরা থমকে দাঁড়ায়। ঘুরে দেখে বাড়িটি। বাড়ির সামনে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। পেছনে আরও একটি সুন্দর বাড়ি।

একসময় ওমান থাকতেন রুহুল আমিন। দীর্ঘদিন ওমানে ব্যবসা-বাণিজ্য করে কয়েক বছর আগে মিজান আলয় বানান করেন তিনি। কিছুদিন আগে মারা যান রুহুল আমিন। তার দুই ছেলে— তারাও প্রবাসী। বাড়িটিতে তেমন কেউ নেই। পেছনের বাড়ি তার ভাই অজি উল্যাহর। এটিও বিশাল ডুপ্লেক্স। দুই বাড়ির বর্তমান বাজার দর প্রায় ১০ কোটি টাকা। জমিসহ হিসাব করলে প্রায় ২০ কোটি। প্রবাসীদের কারণে দাগনভূঞায় জমির এখন আকাশছোঁয়া দাম। রাস্তার পাশে প্রতি শতক (৪৩৫ দশমিক ৬ বর্গফুট) জমির বর্তমান বাজার দর ৪০-৫০ লাখ টাকা।

রুহুল আমিনের ভাগ্নে বাহার উদ্দিন জানিয়েছেন, দুই ভাই রুহুল আমিন ও অজি উল্যাহ খুব শৌখিন মানুষ ছিলেন। তারা প্রবাসে আয় করে দেশে সুন্দর বাড়ি নির্মাণ করেন। বাড়ির সামনে তারা যে সুন্দর মসজিদ নির্মাণ করেন, তাতে এলাকার লোকজন মনের আনন্দে নামাজ আদায় করেন।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, দাগনভূঞা উপজেলার এয়াকুবপুর, দুধমুখা, বসুরহাট রোড, জগতপুর, আমানুল্লাহপুর, নুরুল্লাহপুর, জয়লস্করসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১৫ হাজার অধিবাসী প্রবাসে চাকরি ও ব্যবসা করছেন। তাদের পাঠানো আয়ে অনেকটা বদলে যাচ্ছে দাগনভূঞার পুরনো চেহারা।

দাগনভূঞার সিনিয়র সাংবাদিক ইমাম হোসেন কচি জানালেন, প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের এ উপজেলায় এমন কোনো বাড়ি নেই, যে বাড়িতে দু-একজন প্রবাসী নেই।

দাগনভূঞা পৌরসভার সাবেক মেয়র আকবর হোসেন বললেন, ‘ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আমেরিকা, ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকেন। এ ছাড়া কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অনেক প্রবাসী রয়েছেন। তারা দাগনভূঞার সামগ্রিক উন্নয়নে রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।’

স্থানীয় সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার খায়রুল আনাম ভূঞা জানালেন আরও চমকপ্রদ খবর, ‘প্রবাসী আয়ে ফেনী অনেক এগিয়ে। এর মধ্যে দাগনভূঞায় বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স আসে। সোনালী ব্যাংকে ২০২৫ সালে ফেনীর ১৭ শাখা মিলে ৯৮ কোটি ও চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ২৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আসে।’

অন্য একটি সূত্র জানায়, ব্যাংকে বৈধভাবে রেমিট্যান্সের চেয়ে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা আসে অনেক বেশি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রবাসী আয়ের ফলে দাগনভূঞার পুরনো গ্রামীণ চেহারা এখন আর নেই। একদিকে সুন্দর বাড়ি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে জমির দামও বাড়ছে। উপজেলা পরিষদে কোনো প্রবাসী ব্যক্তি এলে তাদের দ্রুত যথাযথ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

দাগনভূঞাপ্রবাসী আয়দৃষ্টিনন্দন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    বনমালী

    বনমালী

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ