জাজিরা
কবরস্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, সিসিটিভি-পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের ঘোষণা এমপির

ছবি: আগামীর সময়
শরীয়তপুরের জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের একটি কবরস্থানে ককটেল সদৃশ বিস্ফোরক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে ইউনিয়নের নতুন জানখার কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নতুন জানখার কান্দি গ্রামের স্বপন খাঁর বাড়ির পেছনের একটি কবরস্থানে আগে থেকে লুকিয়ে রাখা ককটেল সদৃশ বিস্ফোরক উদ্ধারের চেষ্টা চলছিল। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘটনাস্থলের প্রায় পাঁচ ফুট এলাকাজুড়ে মাটি সরে যায় এবং সেখানে স্পষ্ট গর্তের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের সময় আলতাফ খাঁ (২৪) ও তার কয়েকজন অজ্ঞাত সহযোগী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বিস্ফোরণে আলতাফ খাঁ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক থাকায় কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় অন্য কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।
দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, বিলাসপুরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন নয়। এই অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পুরো বিলাসপুরকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হবে এবং একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিস্ফোরণের পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরকের উৎস এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।






