কাভার্ডভ্যান চালককে পুলিশের মারধর, প্রতিবাদে ৪ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ

গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে চার ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে পরিবহন শ্রমিকরা।
শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকায় বুধবার (৮ এপ্রিল) ঘটে ঘটনা। পরে দুপুর দেড়টা থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
বিক্ষোভকারী শ্রমিকরা জানায়, শ্রীপুরে জৈনাবাজার আহমদ ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার জন্য একটি কাভার্ড ভ্যান দাড়ায় সড়কের পাশে। সেখানে আসে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল। তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কাভার্ডভ্যান চালককে মারধর করে পুলিশের কয়েকজন সদস্য। এ ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে। পরে তারা হাইওয়ে পুলিশের বিচারের দাবিতে অবরোধ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক।
এদিকে মহাসড়ক অবরোধের ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েন যাত্রীরা।
আরেক কাভার্ড ভ্যানচালক মনিরুল ইসলাম বলেছেন, তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাড়ান ওই কাভার্ডভ্যানচালক রিয়াজ উদ্দিন। এরপর গাড়ি রেখে তিনি নামাজে যান। সে সময় হাইওয়ে পুলিশ এসে ভাংচুর করে গাড়ির লুকিং গ্লাস। চালক এসে বাধা দিলে তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে পুলিশ। গুরুতর আহত হন চালক রিয়াজ উদ্দিন। পরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বিষয়টি আশপাশের চালকরা দেখে প্রতিবাদ করে। তাৎক্ষণিকভাবে অনেক চালক জড়ো হয়ে অবরোধ করে সড়ক।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেছেন, জ্বালানি নিতে মহাসড়কের লেন দখল করে লাইন ধরে গাড়িগুলো। মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার সময় চালকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় পুলিশের। তবে মারধরের বিষয়টি সঠিক নয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে পুলিশ। পরে শ্রকিদের সঙ্গে ফলপ্রসু আলোচনার পর শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নিয়েছে বলে জানান শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির আহমেদ।















