১৭ ঘণ্টা পর বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ ফেরত দিল বিএসএফ

সংগৃহীত ছবি
লালমনিরহাটে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ১৭ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।
আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি বিওপি সীমান্তে ৮৬৮/৩ পিলার এলাকায় আলী হোসেনের মরদেহ হস্তান্তর করে ভারতের মাথাভাঙ্গা থানা পুলিশ। মরদেহ হস্তান্তর করা হয় নিহতের বড় ভাই আনোয়ার হোসেনের কাছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধবলগুড়ি বিওপি কমান্ডার সুবেদার আমিরুল ইসলাম এবং বিএসএফের ১৫৬ ব্যাটালিয়নের শ্রীমুখ কোম্পানি কমান্ডার এসি রাজেশ কুমার যাদব।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় ৭-৮ জনের একটি দল শূন্যরেখা থেকে চেষ্টা করে অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে বিএসএফ সদস্যরা। পরে দলটি প্রায় ৫০০ গজ ভারতের ভেতরে প্রবেশ করলে আবার গুলি চালায় বিএসএফ। এতে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আলী হোসেন। অন্যরা পালিয়ে এলেও তার মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ। এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।
পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলা হয়।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৬১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম এবং বিএসএফের পক্ষে ১৫৬ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট সৌরভ।
বিএসএফ কমান্ড্যান্ট বিজিবিকে জানায়, নিহত ব্যক্তি তালিকাভুক্ত চোরাচালানকারী এবং তিনি চোরাচালানের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন ভারতে। এ সময় এক বিএসএফ সদস্যকে আঘাত করলে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এ মৃত্যুর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে বিজিবির ৬১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম বলেছেন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত আনা হয়েছে মরদেহ।















