ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, বিএনপি নেতাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কালো শার্ট পরে হামলা করছেন বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পলাশ। সংগৃহীত ছবি
পটুয়াখালীর বাউফল প্রেসক্লাবের সামনে ব্যবসায়ী মো. ফরিদ তালুকদার (৫২), তার স্ত্রী ও ছেলের ওপর হামলার অভিযোগে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বাউফল থানায় মামলাটি করেন ফরিদ তালুকদারের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (৪৫)।
মামলায় বাউফল পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পলাশকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাউফল প্রেসক্লাবের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। হামলায় ব্যবসায়ী ফরিদ ও তার স্ত্রী মর্জিনা ও তাদের ছেলে আলিফ তালুকদার (২৩) আহত হন।
ফরিদ এএফ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শিল্পপতি প্রকৌশলী এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদারের ছোট ভাই।
ফেসবুকে মোদিকে ‘অপমানজনকভাবে’ উপস্থাপন, মেটা ইন্ডিয়ার প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা
৩১ জুলাই ২০২৬
ফরিদ তালুকদারের অভিযোগ, ওই ফেসবুক লাইভকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে নাজিরপুর ইউপি নির্বাচনের অপর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুমের নেতৃত্বে একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায়।
তিনি বলেছেন, ‘মতবিনিময় সভা শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিবারসহ প্রেসক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় মাসুম ও ইমাম হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মারধর করে। পরে সাংবাদিকদের সহায়তায় আমরা প্রেসক্লাবের ভেতরে আশ্রয় নেই। পুলিশ আমাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাসুম। তিনি বললেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। বরং আমার ওপর ফরিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর তালুকদার ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহদপ্তর সম্পাদক সফল মাস্টারের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলামের ভাষ্য, মামলাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।







