Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

বাউফলে মাত্র দেড়শ টাকার দ্বন্দে পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:২৬
বাউফলে মাত্র দেড়শ টাকার দ্বন্দে পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

ছবি: আগামীর সময়

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মাত্র ১৫০ টাকার আর্থিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষার কেন্দ্র বাতিল করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে চরম অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েকশ পরীক্ষার্থী।

আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে পটুয়াখালী জেলা শহরের আব্দুল করিম মৃধা কলেজ কেন্দ্রে, যা বাউফল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে।

জানা যায়, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাউফল সরকারি কলেজে অনার্স পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। পরে ২০১৭ সালে কেন্দ্র স্থানান্তর করে কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজে নেওয়া হয়, যা উপজেলা থেকে তুলনামূলক নিকটবর্তী। তবে চলতি বছর পরীক্ষা শুরুর মাত্র ১০ দিন আগে কেন্দ্র আরও দূরে সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

অভিযোগ রয়েছে, কেন্দ্র ফি সংক্রান্ত আর্থিক বিরোধ থেকেই এই সিদ্ধান্তের সূত্রপাত। পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৪৫০ টাকা করে নেওয়া হলেও কালাইয়া কলেজ পেত ৩০০ টাকা। বাকি ১৫০ টাকা নিয়ে দুপক্ষের মতবিরোধ তৈরি হয়। এই অর্থে কেন্দ্র পরিচালনা সম্ভব নয় জানিয়ে কালাইয়া কলেজ কর্তৃপক্ষ কেন্দ্র প্রত্যাহারের আবেদন করলে শিক্ষা অধিদপ্তর সেটি মঞ্জুর করে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, দূরবর্তী কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থী, গর্ভবতী এবং ছোট সন্তান থাকা পরীক্ষার্থীরা বেশি সমস্যায় পড়বেন। যাতায়াতে দীর্ঘ সময়, খারাপ রাস্তা এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি তাদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, দুপুর ১টার পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে সকাল থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে এবং যাতায়াতে কয়েক ঘণ্টা লেগে যাবে, যা বাড়াবে মানসিক চাপ।

কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন বলেছেন, ‘কেন্দ্র পরিচালনায় যে খরচ হয়, তা ৩০০ টাকায় সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে আমরা কেন্দ্র প্রত্যাহারের আবেদন করেছি।’

অন্যদিকে বাউফল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার তালুকদার বলেছেন, পরীক্ষা ফি এর বাকি ১৫০ টাকা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হিসেবে রাখার নিয়ম রয়েছে। কালাইয়া কলেজ কেন্দ্র প্রত্যাহার চেয়ে যে আবেদন করেছে তা আমি জানতাম না। পরীক্ষার মাত্র ১২ দিন আগে আমার কাছে যে কাগজপত্র এসেছে তাতে দেখতে পাই কেন্দ্র পরিবর্তন করা হয়েছে।’

ভবিষ্যতে স্ব-কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের চেষ্টা চলবে বলেও জানান তিনি।

পরীক্ষাপরীক্ষাকেন্দ্রপটুয়াখালী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise