গারো পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটক কম, হতাশ ব্যবসায়ীরা

ছবি: আগামীর সময়
শেরপুরের গারো পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় এবার ঈদ উপলক্ষে প্রত্যাশিত পর্যটকের দেখা মেলেনি। টানা বৃষ্টিসহ বিভিন্ন কারণে গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও মধুটিলা ইকো পার্কে দর্শনার্থীর সংখ্যা কম থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও মধুটিলা ইকো পার্ক। বিভিন্ন উৎসব ও ছুটির দিনে এসব পর্যটনকেন্দ্রে সাধারণত দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও লাভবান হন।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত ঈদুল ফিতরে বিপুলসংখ্যক পর্যটক পরিবার-পরিজন নিয়ে এসব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণে এসেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে এবারও তারা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রত্যাশিত সংখ্যক দর্শনার্থী আসেননি।
তারপরও অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। গারো পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ভিন্নধর্মী আনন্দও উপভোগ করছেন অনেকে।
গজনী অবকাশ কেন্দ্রের ঝুলন্ত সেতু, রোপওয়ে, ক্যাবল কার, প্যাডেল বোট এবং সাম্পান নৌকা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। শিশু ও নারীদের মধ্যে এসব বিনোদন ব্যবস্থার জনপ্রিয়তা বেশি।
গজনী অবকাশ পর্যটন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ছানুয়ার হোসেন জানান, পর্যটকের উপস্থিতি কম থাকায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে আসা পর্যটক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে এসে ভালো লেগেছে। তবে আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার দর্শনার্থীর সংখ্যা অনেক কম মনে হয়েছে।’
গজনী অবকাশ কেন্দ্রের ইজারাদার লুৎফর রহমান লাজু উল্লেখ করেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে দর্শনার্থীর উপস্থিতি আশানুরূপ হয়নি।
স্থানীয়রা পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার এবং সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে ভবিষ্যতে আরও বেশি পর্যটক আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে।






