Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

গঙ্গাচড়া

ভাঙা ঘরে মরজিনার দিনরাত, বয়সের ভারেও থামেনি জীবনসংগ্রাম

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৩০
ভাঙা ঘরে মরজিনার দিনরাত, বয়সের ভারেও থামেনি জীবনসংগ্রাম

মরজিনা বেগম

ঘরের চালের কয়েকটি টিন ভেঙে গেছে। কোথাও বেড়া হেলে পড়েছে। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে ঘরের ভেতর। এক পাশে একটু শুকনো জায়গা। সেখানেই কোনোমতে রাত কাটান ৬৫ বছর বয়সী মরজিনা বেগম। জরাজীর্ণ ঘরটি নিয়ে ঝড়-বৃষ্টির সময় আতঙ্কে থাকতে হয় তাকে।

আজ শনিবার সকালে সরেজমিন দেখা যায়, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান পীর সাহেবপাড়ায় নদীর তীরের খাসজমিতে একটি জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন মরজিনা। ঘরের চালের কয়েকটি টিন ভাঙা। বেড়ার কিছু অংশও নড়বড়ে। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি পড়ে। ফলে শুকনো জায়গা খুঁজে কোনোমতে রাত কাটাতে হয় তাকে। ঘরে নেই বিদ্যুৎ, পানির নিজস্ব ব্যবস্থা কিংবা শৌচাগার। অন্যের বাড়ি থেকে পানি এনে পান করতে হয়। গোসল ও ওজুর জন্য যেতে হয় নদীতে। রাতে কেরোসিনের বাতিই তার একমাত্র ভরসা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩৩ বছর আগে স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর একমাত্র মেয়েকে নিয়ে কোনোভাবে সংসার চালিয়েছেন মরজিনা। অভাবের মধ্যেও ধারদেনা করে মেয়ের বিয়ে দেন। মেয়ের বয়স এখন প্রায় ৪০ বছর। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। ফলে মেয়ের কাছ থেকেও কোনো সহায়তা পান না মরজিনা।

আরও পড়ুন

রেললাইন পার হচ্ছিল ইজিবাইক, ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই যাত্রীর

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বয়সের ভারে তার চোখের দৃষ্টিও কমে এসেছে। শরীর নুয়ে পড়েছে। তারপরও থেমে নেই জীবনসংগ্রাম। খাবারের জন্য মানুষের বাড়িতে কাজ করেন তিনি। কাজের বিনিময়ে পান তিন বেলা খাবার ও মাসে এক হাজার টাকা। এভাবেই কোনোভাবে দিন কাটছে তার।

মরজিনা বেগম বলেন, ‘বাবা, মুই খুব কষ্টে আছুং। ঘরটা একেবারে ভাঙি গেইছে। বৃষ্টি হইলে ঘরের ভিতর পানি পড়ে, রাইতত ঘুমাইতে পারি না। এলা মোর বয়স হইছে, চোখের জ্যুথি নাই। তারপরও প্যাটের দায়ে মানুষের বাড়িত কাম করি কোনমতে বাঁচি আছুং। আর কয় দিন বা বাঁচিম। তোমরা গুলা সবাই মিলি মোক একটা ঘর করি দেও।’

স্থানীয় বাসিন্দা ময়না বেগম বলেন, মরজিনার কষ্টের কথা এলাকার অনেকেই জানেন। চোখে কম দেখায়। তাই চলাফেরা ও কাজকর্ম করতেও তার কষ্ট হয়। তারপরও খাবারের জন্য অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়। তার থাকার ঘরটিও খুব জরাজীর্ণ।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহ মো. শাখের আলী বলেন, ‘মরজিনা খুব কষ্ট করে জীবন কাটাচ্ছেন। তার ঘরে বিদ্যুৎ নেই, পানির ব্যবস্থা নেই, শৌচাগারও নেই। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি পড়ে। আমরা চাই, তার জন্য কেউ একটি ভালো ঘরের ব্যবস্থা করে দিক।

আরও পড়ুন

ভেরিফিকেশন নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই : মন্ত্রণালয়

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আশরাফুল আলম বলেন, মরজিনার অসহায়ত্বের বিষয়টি আমার জানা। তার বয়স্ক ভাতা ও রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ঘরটি খুবই জরাজীর্ণ। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদের তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। তিনি সরকারি কোনো সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মরজিনার মতো অসহায় মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ঘর ও মৌলিক সুবিধার ব্যবস্থা করা গেলে জীবনের এই সময়ে তার কষ্ট কিছুটা কমবে–এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

মরজিনা বেগমগঙ্গাচড়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়