জাল সনদে পাকশী রেলওয়ে ডিগ্রি কলেজে ১৩ বছর শিক্ষকতা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জাল সনদ ব্যবহার করে ১৩ বছর শিক্ষকতা করার অভিযোগ উঠেছে পাবনার পাকশী রেলওয়ে ডিগ্রি কলেজের এক প্রভাষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. শরিফুল ইসলাম কলেজটির ভূগোল বিভাগের প্রভাষক। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনে তার জমা দেওয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদকে জাল ও ভুয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অন্য এক ব্যক্তির নিবন্ধন সনদ জাল করে নিজের নামে তৈরি করে তা ব্যবহার করে ২০১৩ সালে তিনি প্রভাষক পদে নিয়োগ পান। ২০১৮ সালে এমপিওভুক্ত হন। এরপর সরকারি কোষাগার থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা নেন। নোটিসে শরিফুল ইসলামের কাছ থেকে ১৩ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৮ টাকা আদায়যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শরিফুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় মাউশি। নোটিসের জবাবও দেন তিনি। তবে মাউশির সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তার লিখিত জবাব সন্তোষজনক হয়নি। এ কারণে পরবর্তী শুনানিতে কলেজের অধ্যক্ষসহ শরিফুল ইসলামকে মাউশিতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। অধ্যক্ষ মোস্তফা ইমরুল কায়েস মাউশির নোটিস পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে শরিফুল ইসলাম কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি। অফিসের কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।



