লালমনিরহাটে তিনজনকে আহত করা সেই বাঘের অবস্থান ড্রোনের মাধ্যমে শনাক্ত

ড্রোনের সাহায্যে চিতা বাঘটির অবস্থান শনাক্ত করেন বিজিবি সদস্যরা। সংগৃহীত ছবি
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার আমঝোল সীমান্তে তিনজনকে আহত করা সেই চিতাবাঘটির অবস্থান শনাক্ত করেছে বিজিবি। গতকাল রবিবার মধ্যরাতে ড্রোনের সাহায্যে একটি জঙ্গলের ভেতরে বাঘটিকে লুকিয়ে থাকতে দেখতে পান তারা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মাইকিং করে স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সেই সঙ্গে বাঘটি যেন ধানক্ষেত বা লোকালয় থেকে পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য চারপাশ ঘিরে রাখার আহ্বান জানান বিজিবি সদস্যরা।
আজ সোমবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম।
তিনি জানিয়েছেন, রাতে চিতাবাঘটিকে ড্রোনের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে স্থানীয়রা রাতে পাহারায় ছিলেন। ঢাকা ও রংপুর থেকে বন বিভাগের দুটি টিম এসেছে। তাদের বাঘটির অবস্থান বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
গতকাল রবিবার সন্ধায় উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৫ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন, আমঝোল গ্রামের শরিফা বেগম (৩৪), নজরুল ইসলাম (৪৫) ও আফসার আলী (৪০)।
রবিবার বিকালে সীমান্তের কাছে বেঁধে রাখা ছাগল আনতে যান শরীফা। এ সময় তিনি দেখতে পান, একটি চিতাবাঘ তার ছাগলকে আক্রমণ করেছে। ছাগলটি রক্ষা করতে গেলে বাঘটি তার ওপরও হামলা চালায়। এ দৃশ্য দেখে নজরুল ও আফছার তাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও আক্রমণ করে বাঘটি। পরে বাঘটি পাশের একটি ধানক্ষেতে লুকিয়ে পড়ে।
বাঘের উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়লে লাঠিসোঁটা নিয়ে হাজারো মানুষ ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেন।
স্থানীয়দের দাবি, বাঘটি তাড়াতে বিজিবি সদস্যরা দুই রাউন্ড গুলি ছুড়েছেন। তাদের ধারণা, চিতাবাঘটি সীমান্ত পেরিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।




