Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
অভাবেও সবুজ দেশ গড়ছেন বিষ্ণু হাজরা
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

হারিয়ে যাচ্ছে সখীপুরের মাটির ঘর

সিরাজুস সালেকীন, সখিপুর (টাঙ্গাইল)
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ২০:৫০
হারিয়ে যাচ্ছে সখীপুরের মাটির ঘর

ছবি: আগামীর সময়

আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একসময়ের ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর। সখীপুরের বিভিন্ন গ্রামে এখন আর অতীতের মতো মাটির ঘরের দেখা মেলে না। তবে আধুনিক দালানকোঠা আর টিনের ঘরের ভিড়ে পূর্বপুরুষদের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে এখনো কেউ কেউ পরম মমতায় এসব ঘরে বসবাস করছেন। আবার কেউ কেউ শুধুই স্মৃতি হিসেবে টিকিয়ে রেখেছেন।

সখীপুর উপজেলার করুটিয়াপাড়া, হতেয়া, পাথারপুর, মৌশা, বড়চওনা, কুতুবপুর, গড়গোবিন্দপুর, কচুয়া ও কালমেঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এখনো কিছু মাটির ঘরের অস্তিত্ব চোখে পড়ে। তবে এগুলোর বেশিরভাগই এখন পরিত্যক্ত, কোনো কোনোটি আবার যত্নে রাখা হয়েছে শুধুই স্মৃতির স্মারক হিসেবে।

উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের পাথারপুর গ্রামের মৃত আমির উদ্দীনের পঁচাত্তর বছর বয়সী সহধর্মিণী আনোয়ারা খাতুন দীর্ঘ ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মাটির ঘরে বসবাস করছেন। প্রায় ২০ বছর আগে স্বামী মারা গেলেও তার রেখে যাওয়া এই সাজানো-গোছানো মাটির ঘরটিই এখন আনোয়ারা খাতুনের জীবনের একমাত্র শান্তিনীড় ও সুখ-দুঃখের কেন্দ্রবিন্দু। একই রকম চিত্র দেখা গেছে হতেয়া রাজাবাড়ী গ্রামেও। সেখানের মৃত রমিজ উদ্দিনের সত্তর বছর বয়সী সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগম তার জীবনের শেষ সময়টুকু পার করছেন স্বামীর রেখে যাওয়া মাটির ঘরে। এক যুগের বেশি সময় আগে স্বামী মারা গেলেও জীবনের আলো-ছায়ার সঙ্গী হিসেবে এই ঘরটিকে তিনি আঁকড়ে আছেন। তার জ্যেষ্ঠ কন্যা নাজমা আক্তারের ভাষ্যমতে, মাটির ঘরটিই হলো তার মায়ের কাছে আনন্দ-বেদনার প্রধান সঙ্গী।

আগেকার দিনে গ্রামে-গঞ্জে বসবাসরত পরিবারগুলোর প্রধান ঠিকানা ছিল এই মাটির ঘর, যা স্থানীয়ভাবে ‘কোঠা ঘর’ নামে পরিচিত। মাটি, তুষ ও চুনার মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত মজবুত ও টেকসই এই ঘরগুলোর দেয়াল হতো বেশ পুরু। কাঠের খুঁটির ওপর মাটি লেপে লেপে নিখুঁতভাবে তৈরি করা হতো এই ঘরগুলো। কারিগরদের গ্রামাঞ্চলে ‘মাইঠাল’ বলে ডাকা হতো। কোথাও কোথাও দোতলাবিশিষ্ট মাটির ঘরও দেখা যেত। যেখানে ওপরে ওঠার জন্য ব্যবহার করা হতো কাঠের তৈরি সিঁড়ি।

মাটির ঘরের স্মৃতিচারণ করে পাথারপুর গ্রামের কৃষক লাল মিয়া বলেছেন, ‘আমাদের বাড়িতে বাপ-দাদার আমল থেকেই মাটির ঘরে আমরা থাকতাম। তবে এহন আমরা টিনের ঘরে থাকি। আমার আম্মা বর্তমানে মাটির ঘরেই থাকে। বাপ-দাদার আমলের স্মৃতি দেখার জন্য রাইখা দিছি। আমার আম্মা আমাগো জন্মের আগে থাইকা মাটির ঘরে থাকে। আমার আব্বাও মাটির ঘরেই থাকত।’

হতেয়া রাজাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নিয়ামুল হক তার অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করলেন। ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে মাটির ঘরে বসবাস করেছেন। ছোটবেলা থেকেই দেখতাম আমার বাবা মাটির ঘরেই বসবাস করত। তীব্র গরমের দিনে মাটির ঘর প্রচণ্ড শীতল থাকে। তাছাড়া মাটির ঘর খুবই মজবুত ও টেকসই ছিল।’

মাটির ঘরের সঙ্গে উৎসবের আনন্দের মেলবন্ধন প্রকাশ করলেন ছোট মৌশা গ্রামের কৃষক মো. শহিদুল ইসলাম। ‘জন্মের পর থেকেই দেখছি আব্বা আম্মা মাটির ঘরেই থাকত। আমাদের সংসারের সব সুখ-দুঃখের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মাটির ঘরটি। যখন ঈদের সময় ঘনিয়ে আসতো তখন আম্মা-আব্বাকে দেখছি মাটির ঘরটি পুরাটুকু লেপে দিত। ঈদের আনন্দের সঙ্গে মাটির ঘরের সুন্দর পরিবেশ আমাদের ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলত। বাড়িতে নতুন একটা আমেজ পাওয়া যেত। খুব খুশি খুশি লাগত আমাদের।’

মাটির ঘরের এই সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্বের কথা তুলে ধরলেন সখীপুর সরকারি কলেজের ভূগোল বিষয়ের প্রভাষক মোছা. নাছিমা আক্তার। ‘মাটির ঘর আমাদের গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। আগেকার দিনে যখন টিনের ঘর এবং দালান কোঠার প্রচলন ছিল না তখন মাটির ঘরেই মানুষ বসবাস করত। আমাদের গ্রামাঞ্চলের মানুষের প্রবাহমান জীবনের গতিধারায় এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হল মাটির ঘর। বর্তমানে মাটির ঘর তেমন একটা খুব চোখে না পড়লেও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়। এসব ঘরেই এখনো কেউ কেউ বসবাস করছেন। এসব ঘর কেন্দ্র করে জীবনের সুখ-দুঃখের অনেক স্মৃতি মিশে রয়েছে।’

মাটির ঘরসখীপুর
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    অভাবেও সবুজ দেশ গড়ছেন বিষ্ণু হাজরা

    অভাবেও সবুজ দেশ গড়ছেন বিষ্ণু হাজরা

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮

    ফ্রান্সকে হারিয়েও রেফারিকে একহাত নিলেন স্পেন অধিনায়ক

    ফ্রান্সকে হারিয়েও রেফারিকে একহাত নিলেন স্পেন অধিনায়ক

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪

    যেভাবে দানব ফ্রান্সকে বামন বানাল স্পেন

    যেভাবে দানব ফ্রান্সকে বামন বানাল স্পেন

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮

    গলাচিপা-দশমিনার পরিবহন নৈরাজ্য নিরসনে বৈঠকের উদ্যোগ নুরের

    গলাচিপা-দশমিনার পরিবহন নৈরাজ্য নিরসনে বৈঠকের উদ্যোগ নুরের

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৯

    আমেরিকার জঘন্য যুদ্ধাপরাধের সর্বশেষ উদাহরণ ইরানে হামলা

    আমেরিকার জঘন্য যুদ্ধাপরাধের সর্বশেষ উদাহরণ ইরানে হামলা

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭

    কীর্তণখোলা নদীতে নৌকা থেকে চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলার নির্দেশ আদালতের

    কীর্তণখোলা নদীতে নৌকা থেকে চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলার নির্দেশ আদালতের

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০

    যতক্ষণ না আমি থামতে বলছি, ততক্ষণ হামলা চলবে ইরানে

    যতক্ষণ না আমি থামতে বলছি, ততক্ষণ হামলা চলবে ইরানে

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩

    ইয়ামালের হেডব্যন্ডে লেখা ‘০৮৩০৪’ এর রহস্য

    ইয়ামালের হেডব্যন্ডে লেখা ‘০৮৩০৪’ এর রহস্য

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫২

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১৫ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১৫ জুলাই)

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯

    সাইবার সুরক্ষা আইনে কী পরিবর্তন এলো?

    সাইবার সুরক্ষা আইনে কী পরিবর্তন এলো?

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৭

    বাংলাদেশি সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে চান স্কালোনি

    বাংলাদেশি সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে চান স্কালোনি

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৬

    সংসদে আ.লীগের বিচার ও হাসিনাকে ফেরানোর দাবি, আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলছে সরকার

    সংসদে আ.লীগের বিচার ও হাসিনাকে ফেরানোর দাবি, আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলছে সরকার

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৬

    দুপুরের মধ্যে পাঁচ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

    দুপুরের মধ্যে পাঁচ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬

    সিলিকন চিপে অমরত্বের সন্ধান

    সিলিকন চিপে অমরত্বের সন্ধান

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫

    ইংল্যান্ড ম্যাচ আমাদের শহীদ ভাইদের কথা মনে করায়

    ইংল্যান্ড ম্যাচ আমাদের শহীদ ভাইদের কথা মনে করায়

    ১৫ জুলাই ২০২৬, ১৩:৩৬

    advertiseadvertise