তোফায়েল আহমেদের কবর জিয়ারত ও মিলাদে নেতাকর্মী-সাধারণ মানুষের ঢল

ছবি: আগামীর সময়
কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ ফিরে যাচ্ছেন স্মৃতির পাতায়, কেউ নীরবে মুছে নিচ্ছেন চোখের জল। প্রিয় নেতার অনুপস্থিতি যেন মেনে নিতে পারছেন না তার অনুসারীরা। বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদের জানাজা-দাফনের পর এবার দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ঢল নেমেছে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আসরের নামাজের পর ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের মসজিদে দোয়া, মিলাদ ও মোনাজাত হয়। খলিফা পট্টি মসজিদের খতিব মাওলানা মজির উদ্দিন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই তার নিজ এলাকা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো মানুষ সেখানে জড়ো হতে শুরু করে।
মসজিদ প্রাঙ্গণ ও পারিবারিক কবরস্থানের আশপাশ জুড়ে ছিল আবেগঘন পরিবেশ। অনেককে কবরের সামনে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ করতে দেখা যায়। কেউ বলছিলেন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা, কেউ স্মরণ করছিলেন সাধারণ মানুষের প্রতি তার আন্তরিকতা ও মানবিকতার নানা দিক। আবার অনেকে কোনো কথা না বলে নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও তার রাজনৈতিক অনুসারীরা জানান, তোফায়েল আহমেদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভোলার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথি। এলাকার উন্নয়ন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে দল-মত-নির্বিশেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।




