সোনারগাঁও হোটেলের কর্মীকে হত্যা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

স্ত্রীর হাতে খুন হলেন সোনারগাঁও হোটেলের কর্মী। প্রতীকী ছবি/গ্রাফিকস: আগামীর সময়
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের এক কর্মীকে গলা ও দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জব্দ করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি চাপাতি ও একটি ছুরি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী হত্যার পরিকল্পনা ও ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলির একটি বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর আলম জনি (৪১) নামে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঢাকার কদমতলী থানার ঢালকানগর বৈশাখী হাউজিং এলাকার আব্দুস শাকুরের ছেলে তিনি। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় মরদেহ।
এ ঘটনায় ফারজানা আক্তার মুন্নিকে আটক করা হয়েছে বলে জানান ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুব আলম। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারজানা আক্তার মুন্নি জানিয়েছেন, স্বামী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন বলে সন্দেহ থেকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি। রবিবার রাতে খাবারের সঙ্গে পাঁচটি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে খাওয়ান স্বামীকে। পরে সোমবার সকালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চাপাতি দিয়ে তার গলা ও দুই হাতের রগ কেটে নিশ্চিত করেন মৃত্যু।
নিহতের দুলাভাই আল-আমিন বলেন, জনি ছিলেন মুন্নির দ্বিতীয় স্বামী। মুন্নির প্রথম স্বামীর ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কাজ করার সময় জনির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে বিয়ে করেন তারা।
তিনি বলেন, ‘ভোরে ৭-৮টার দিকে ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরেন জনি। এই হত্যাকাণ্ড তখনই ঘটে থাকতে পারে। দেড়টার দিকে থানা থেকে ফোন পেয়ে দেখতে যাই আমি। রাতে ১০টা নাগাদ ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছি। হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানাই।’




