এইচএসসি পরীক্ষায় নকলে বাধা, কেন্দ্র ভাঙচুর

চরফ্যাশনের ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়— সংগৃহীত
ভোলার চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষায় কঠোর তদারকি করেন কক্ষ পরিদর্শকরা। এতে ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থী ও তাদের স্বজন। এরপরই কলেজের গেট ভেঙে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায় তারা। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৮-১০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে চরফ্যাশনের ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে চরফ্যাশন সরকারি কলেজের প্রায় সাড়ে ৯০০ শিক্ষার্থী এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করেন। এতে হলের ভেতরেই কিছু পরীক্ষার্থী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরীক্ষা শেষে একদল পরীক্ষার্থী ও তাদের স্বজন কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা কলেজের দুটি লোহার গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হলের বিভিন্ন কক্ষ ও জানালা ভাঙচুর করেন। এতে কলেজের ২ নম্বর ও ৩ নম্বর গেট, একাডেমিক ভবনের বিভিন্ন কক্ষ, অধ্যক্ষের কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে গেলে ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও চরফ্যাশন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির শিকদার এবং উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব জাহিদুল ইসলাম রাসেল আহত হন।
খবর পেয়ে চরফ্যাশন থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আরও উত্তেজিত হয়ে পড়লে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে পুলিশ দুই রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রায় আধা ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঘটনার পর কলেজের আশপাশে উত্তেজনা বিরাজ করলেও সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে বিকেল ৫টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ তার কার্যালয়ে জরুরি সভা আহ্বান করেন। সভা চলমান থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।





