বাস-মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ঝরল পাঁচ প্রাণ

প্রতীকী ছবি
নাটোরের গুরুদাসপুরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন শ্যালো ইঞ্জিনচালিত টেম্পোর তিন যাত্রী। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার নয়াবাজার এলাকায় ঘটে এ দুর্ঘটনা। একই দিনে ঠাকুরগাঁওয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেছে স্কুলছাত্র ও এক পথচারীর।
পুলিশের ভাষ্য, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। নয়াবাজার এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টেম্পোর সঙ্গে বাসটির ধাক্কা লাগে। এতে দুমড়ে-মুচড়ে যায় টেম্পোর সামনের অংশ। ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। আহত পাঁচজনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন— আক্কাস আলী (৫৮), তার ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৮) ও আরেক ব্যবসায়ী আবদুর রহমান (৭০)। আক্কাস আলী ও জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার ধামানিয়াপাড়া গ্রামে। আবদুর রহমানের বাড়ি একই উপজেলার লক্ষ্মীকোলে। টেম্পোতে থাকা যাত্রীরা সবাই গরু ব্যবসায়ী।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, এ ঘটনায় নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।
কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরেছে আরও দুই প্রাণ। গতকাল দুপুরে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন স্কুলছাত্র ও এক পথচারী। আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলে থাকা আরেক কিশোর।
নিহতরা হলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার জিয়াবাড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে অর্ণব ইসলাম এবং রহিমানপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত দেবারু মোহাম্মদের ছেলে আবুল হোসেন (৬৫)। আহত ১৬ বছরের নীরব রুহিয়া উপজেলার চামেশ্বরী গ্রামের নুরে আলমের ছেলে।
ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ইন্সপেক্টর মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গিয়ে একজনকে মৃত অবস্থায় ও অন্যজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পথচারী আবুল হোসেনকে আগেই নেওয়া হয়েছিল হাসপাতালে।




