কুষ্টিয়া
বিভিন্ন দল থেকে গণঅধিকারে ভিড়লেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী

ছবি: আগামীর সময়
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন পেশার দুই শতাধিক মানুষ গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিয়েছেন।
আজ শনিবার দুপুরে কুমারখালীর আবুল হোসেন তরুণ অডিটোরিয়ামে ঈদ পুনর্মিলনী, নতুন সদস্য যোগদান সভায় তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানানো হয়।
গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট শাকিল আহমেদ তিয়াস।
সভায় বক্তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। শাকিল আহমেদ তিয়াস তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নেতা হতে হলে মাঠের কর্মী হতে হবে। শুধু মেসেঞ্জার বা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সক্রিয় থাকলেই হবে না, আগামী দিনের কঠিন পরিস্থিতিতে রাজপথেও সক্রিয় থাকতে হবে।
তিনি সবাইকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় এক ঘণ্টার নোটিশে রাজপথে নামার জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
দলীয় শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও মন্তব্য করেন, নেতৃত্ব দিতে হলে কর্মসূচিতে সবার আগে উপস্থিত হতে হবে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে এবং সব ধরনের ‘বাবুগিরি’ বা ভিআইপি সংস্কৃতি পরিহার করতে হবে। তার ভাষ্য, আমাদের মঞ্চে বাড়তি চেয়ার নেই, কারণ আমরা সবাই কর্মী।
জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক দাবি করেন, সাধারণ মানুষ গণঅধিকার পরিষদকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। আগামী স্থানীয় নির্বাচনে প্রশাসন বা কোনো মহল দুর্নীতির চেষ্টা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে নেতারা জানান, কাজের ভিত্তিতেই দলে পদোন্নতি দেওয়া হবে। দলের সক্রিয় ও নিবেদিত কর্মীরাই ভবিষ্যতে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি জিলহজ্জ খান, ছাত্র অধিকার পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি বিপ্লব হোসেন, শ্রমিক অধিকার পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি মিলন মালিথা এবং প্রচার ও গণমাধ্যম সম্পাদক মো. স্বপন আলী।
অনুষ্ঠানে কুমারখালী উপজেলা ও পৌর গণঅধিকার পরিষদের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।






