গাইবান্ধা
পুকুরে কিশোরের মরদেহ, হত্যা সন্দেহে দুই বন্ধুর বাড়ি ভাঙচুর

গাইবান্ধায় পুকুর থেকে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে হত্যা সন্দেহে তার দুই বন্ধুর বাড়ি ভাঙচুর করেছে মৃতের স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, পুকুরে নেমে তর্কের জেরে কিশোর রাহাতকে চুবিয়ে মেরেছে তার দুই বন্ধু। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে মৃত্যুর কারণ।
গাইবান্ধা সদরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামে আজ বুধবার সকালে ঘটে ভাঙচুরের ঘটনা। এর আগে মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করা হয় রাহাতের (১৫) মরদেহ। সে হরিণসিংহা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।
পরিবারটির অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রামের হাওয়াই দিঘিতে গোসলে নামে তিন কিশোর বন্ধু। একপর্যায়ে কোনো ইস্যুতে রাহাতের সঙ্গে দুজনের তর্ক হয়। রাহাতকে তারা তখন পানিতে চুবিয়ে ধরে রাখে। সে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা নেয় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতেই পালিয়ে গেছে ওই দুই কিশোর ও তাদের পরিবার। আজ সকালে রাহাতের স্বজনরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালায়। ভাঙচুর করা হয় ভেতরে-বাইরে। আগুন দেওয়ারও চেষ্টা হয়। পরে ওই বাড়ির আশপাশের লোকজনের বাধায় সরে যায় হামলাকারীরা।
গাইবান্ধা সদরের ওসি আব্দুল্লাহ জানালেন, মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন সুরতহালে মেলেনি। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।




