Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

হামের ভয়াবহ বিস্তার

রামেকে ভর্তি ১৩০ শিশু, মৃত্যু বেড়ে ৩৬

রাজশাহী ব্যুরো
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:১৭
রামেকে ভর্তি ১৩০ শিশু, মৃত্যু বেড়ে ৩৬

ছবিঃ আগামীর সময়

রাজশাহীতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। এতে বড় ধরনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে জনস্বাস্থ্যে। ইতোমধ্যে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৩৫২ শিশু ভর্তি হয়েছে  রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে। এর মধ্যে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) পর্যন্ত অন্তত ৩৬ শিশুর মারা গেছে।

সর্বশেষ আজ শুক্রবার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১২ শিশুসহ বর্তমানে হাসপাতালে ১৩০ শিশু চিকিৎসাধীন। দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়লেও বিশেষজ্ঞরা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত টিকাদানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. শাহীদা ইয়াসমিন জানান, গত ১৮ মার্চ ১৫৩ জন শিশুর নমুনা পরীক্ষায় ৪৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা বিভাগের শিশুরাও রয়েছে। জানুয়ারিতে প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর পরিস্থিতি এখন অনেকটাই বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের ১০ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে এবং একটি পুরো ওয়ার্ড হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য নির্ধারিত।

তিনি আরও জানান, আক্রান্তদের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশই ৬ মাসের কম বয়সী শিশু, যা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে বিদ্যমান আইসোলেশন ব্যবস্থায় চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফ. এ এম আঞ্জুমান আরা বেগমের ভাষ্য, নতুন করে হাম-রুবেলা টিকা সরবরাহ না এলেও নিয়মিত কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

অভিভাবকদের সচেতন থাকার পাশাপাশি শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানালেন তিনি।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস আই এম রাজিউল করিমের মতে, আক্রান্তদের একটি বড় অংশের বয়স ৬ থেকে ৯ মাস, অথচ জাতীয় কর্মসূচি অনুযায়ী টিকা দেওয়া হয় ৯ মাসের পর থেকে। ফলে এই বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মাঠে কাজ করছে অনুসন্ধানী দল।আক্রান্তদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

রামেকের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বেনজীর আহম্মেদ জানান, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। এতে নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। সুস্থ হওয়ার পরও পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

‘সময়মতো চিকিৎসা ও কার্যকর আইসোলেশন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেরিতে হাসপাতালে আসা এবং যথাযথ আইসোলেশন বজায় রাখতে না পারা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে,’ যোগ করলেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকাদান। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে এমআর (মিজলস-রুবেলা) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। টিকাদান কার্যক্রমে বিঘ্ন বা সচেতনতার অভাবে শিশুদের বড় একটি অংশ টিকা থেকে বঞ্চিত হলে এই রোগ মহামারী আকার ধারণ করতে পারে। তাই এখনই টিকাদান জোরদার, দ্রুত চিকিৎসা এবং কার্যকর আইসোলেশন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

হামরাজশাহীশিশুমৃত্যু
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise