কেন্দুয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত চাহিদার চেয়েও বেশি পশু

ছবি: আগামীর সময়
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১২ হাজার ২৫৪টি গবাদিপশু। স্থানীয় চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৩৮৬। ফলে চাহিদার তুলনায় উপজেলায় অতিরিক্ত কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ১ হাজার ৮৬৮টি।
উপজেলায় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ৯ হাজার ৬১৭টি এবং ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য পশুর সংখ্যা ২ হাজার ৬৩৭টি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে জানা গেছে, খামারি পর্যায়ে মোটাতাজা করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৩৯টি গরু-মহিষ। এর মধ্যে ষাঁড়ের সংখ্যা ৬ হাজার ২৩৪টি, বলদ ৩ টি এবং গাভি ১০২টি। একই পর্যায়ে ছাগল ১ হাজার ৮৫২টি, ভেড়া ১৮৫টি ও অন্যান্য পশুসহ মোট গবাদিপশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৭৬টি।
অন্যদিকে পারিবারিক পর্যায়ে প্রস্তুত করা হয়েছে ৩ হাজার ২৭৮টি গরু-মহিষ। এর মধ্যে ষাঁড় ৩ হাজার ২৪০টি, বলদ ২টি এবং গাভি ৩৬টি। এছাড়া ছাগল ৫০০ টি ও ভেড়া ১০০টি।
তালুকদার এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী নাজমুল হক তালুকদার বলেছেন, ‘২০১০ সালে এই খামারটি গড়ে তোলা হয়। খামারে ৯৬টি ষাঁড় রয়েছে, এরমধ্যে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৪২টি ষাঁড়। সবগুলোই দেশি প্রজাতির। প্রতিটি ষাঁড়ের গড় মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা হবে বলে আশা করছি। ৪২টি ষাঁড়ের পেছনে প্রতিদিন সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। মাসিক খরচ দাঁড়ায় ৩ লাখ টাকার উপরে। গো-খাবারের মূল্য বৃদ্ধির ফলে আমরা খামারিরা এবার খুব বেকায়দায় আছি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সাখাওয়াত হোসেন তারেক বলেছেন, এ বছর কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। এছাড়া রোগমুক্ত ও স্টেরয়েডমুক্ত পশু নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করবে হাট মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও কেন্দুয়া পৌরসভার তথ্য থেকে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ১২টি ও অস্থায়ী ২২টি এবং কেন্দুয়া পৌরসভার আরও ১টি স্থায়ীসহ মোট ৩৫টি পশুর হাট রয়েছে।




