ঈদের ছুটিতে মেঘলা ও নীলাচলে উপচে পড়া ভিড়, দুই দিনে ৩০ হাজার পর্যটক

ছবি: আগামীর সময়
ঈদের পরের দিনও পর্যটকের ঢল নামে বান্দরবানের আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে। পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে ঈদের দিন পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন। পর্যটকদের প্রবল আগ্রহ দেখে ঈদের দ্বিতীয় দিনও প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত রাখে প্রশাসন।
শুক্রবার বিকেলে জেলা সদরের মেঘলা এবং নীলাচল পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা যেমন এসেছেন। তেমনি স্থানীয় নানা বয়সী মানুষও ঘুরে বেড়িয়েছেন এক স্পট থেকে অন্য স্পটে।
মধ্যবয়সী বিনীতা দাশ তার নাতনীকে নিয়ে এসেছেন নীলাচলে। তিনি বললেন, ‘এই এলাকার মানুষ হয়েও এতদিন নীলাচল দেখা হয়নি।’
মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রে কথা হয় ঢাকার দোহারের নুরুল আশরাফের সঙ্গে।
তিনি জানান, এবারের ঈদের লম্বা ছুটিতে তারা ১৫ বন্ধু দল বেঁধে ঘুরতে এসেছেন বান্দরবান।
নুরুল আশরাফ বলেছেন, ‘ফ্রি টিকিটের কথা আমরা আগে থেকে জানতাম না। কাউন্টারে টিকিট চাইলাম। তখন জানতে পারলাম, ভিতরে প্রবেশ করতে আজ কোন টাকা লাগবে না।’
মেঘলা ও নীলাচলের মতো প্রান্তিক লেক, চিম্বুক পর্যটনকেন্দ্র এবং থানচির কাছাকাছি নীল দিগন্ত পর্যটনকেন্দ্রও ঈদের দিন এবং পরের দিন প্রবেশ মূল্য ফ্রি ঘোষণা করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দুই দিনে কমপক্ষে ৩০ হাজার পর্যটক এসেছেন মেঘলা এবং নীলাচলে।
নীলাচলের কর্মচারি মহাদেব চাকমা জানান, প্রবেশ উন্মুক্ত না হলে এই দুই দিনে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার টিকেট বিক্রি করা যেতো।।ঈদের ছুটিতে শনিবারে পর্যটক আগমন আরও বেড়ে যেতে পারে।







