Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

টেংরা ও ছকিনার ১৩ বছরে বাঁচেনি একটি ছানাও

বরগুনা প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ২০:১৪
টেংরা ও ছকিনার ১৩ বছরে বাঁচেনি একটি ছানাও

ছবি: প্রতিনিধি

প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকেই একসঙ্গে থাকছে ‘টেংরা’ ও ‘ছকিনা’। ১৩ বছরের এই ‘দাম্পত্যে’ ছকিনা ফুটিয়েছে কয়েকশ সন্তান। তবে কোনোটিই বাঁচেনি। 

এই কুমিরযুগলের বসবাস বরগুনার তালতলী উপজেলার ট্যাংরাগিরি ইকোপার্কে। সেখানে বন বিভাগের কুমির প্রজনন কেন্দ্রে প্রতিবছর প্রায় ৮ থেকে ১০টি করে ডিম দিয়েছে ছকিনা। সে হিসাবে গত ১৩ বছরে দিয়েছে প্রায় ১২০ থেকে ১৩০টি ডিম। সবগুলো থেকেই বাচ্চা ফুটেছিল। তবে কোনো ছানাই শেষ পর্যন্ত বাঁচেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই ছানাগুলো বাঁচেনি। আর বন বিভাগ বলছে, দক্ষ জনবলের অভাবে কুমিরের ছানাগুলোর সঠিক পরিচর্যা করা যাচ্ছে না।

প্রজনন কেন্দ্রের তথ্য বলছে, ২০১১-১২ অর্থবছরে এই ইকোপার্কে বন বিভাগের উদ্যোগে মিঠাপানির কুমিরের একটি প্রজনন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ কুমির ‘টেংরা’ ও স্ত্রী কুমির ‘ছকিনাকে’ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় কেন্দ্রটির। এরপর থেকে প্রতিবছর ডিম দিয়েছে ছকিনা।

প্রজনন কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হওয়ার পর তাদের বড় কুমিরের কাছ থেকে আলাদা করে রাখতে হয় এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করতে হয়। নির্দিষ্ট আকারে বড় হওয়ার পরই আবার তাদের বড় কুমিরের সঙ্গে রাখা যায়। অন্যথায় বড় কুমির ছোট ছানাগুলোকে খেয়ে ফেলে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ।

যথাযথ তদারকি ও দায়িত্বশীলতা থাকলে প্রজনন কেন্দ্রটি সফল হতে পারত বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কে এম রাজু বলেন, প্রতিবছর এই কুমির ডিম পাড়ে এবং সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। তবে সেই বাচ্চাগুলোকে বাঁচাতে পারছে না বন বিভাগের লোকজন। তাই যে দুটি কুমির নিয়ে এই প্রজনন কেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করেছিল, সেই দুটি কুমিরই এখানে আছে, আর বাড়েনি। তার দাবি, বন বিভাগ আন্তরিক হলে কুমিরের বাচ্চাগুলোকে বাঁচানো যাবে।

‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যক্তি উদ্যোগ এবং সরকারি উদ্যোগে কুমির প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে। সেসব জায়গায় কুমিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও টেংরাগিরি কুমির প্রজনন কেন্দ্রে এক যুগের বেশি সময় পার হলেও কুমিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এখানে অবশ্যই এই কুমির প্রজনন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে।’ অভিযোগের সুরে জানালেন স্থানীয় মোস্তাফিজুর রহমান।

কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করলেন বরগুনা টুরিস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফ রহমান।

‘বরগুনা জেলার পর্যটন স্পটগুলোর জন্য কুমির প্রজনন কেন্দ্রটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এখানে পর্যাপ্ত লোকবল নেই এই প্রজনন কেন্দ্রটি দেখভাল করার জন্য। এখানে প্রতি বছর বাচ্চা জন্মায়, কিন্তু এই বাচ্চাগুলোকে পরিচর্যা করে বড় করার লোকজন নেই। তাই কুমিরের বাচ্চাগুলো মারা যাচ্ছে। এক কথায়, কুমিরের বাচ্চাগুলো মারা যাওয়ার জন্য দায়ী বন বিভাগের কর্মকর্তারা।’

‘মংলায় করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক যান শুধু এই কুমিরগুলোকে দেখার জন্য। কিন্তু এখানে কুমিরের সংখ্যা বৃদ্ধি না পাওয়ায় পর্যটকরা আসছে না। এখানে সফলভাবে কুমিরের প্রজনন করা গেলে পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই সরকারের কাছে আবেদন যেন পর্যটন কেন্দ্রটি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়। আর তা না হলে আমরা এই অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করব,’ প্রতিবাদ জানালেন তিনি।

তবে অবহেলা বা অব্যবস্থাপনা নয়, দক্ষ জনবলের অভাবকেই বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বন বিভাগের সখিনা বিট কর্মকর্তা রাহিমুল ইসলাম জুমেল।

‘প্রতিবছর কুমির ডিম দেয়, সেই ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম হয়। কিন্তু দক্ষ জনবলের অভাবে কুমিরছানাগুলোকে বাঁচানো যাচ্ছে না। মূলত কুমিরের বাচ্চাগুলো জন্মানোর পর এগুলোকে বড় কুমির থেকে আলাদা করে রাখতে হয়। আলাদা না করলে বড় কুমির এই ছোট কুমিরের বাচ্চাগুলোকে খেয়ে ফেলে। তাই দক্ষ জনবলের অভাবে কুমিরছানাগুলোকে আলাদা করে রাখা যাচ্ছে না, ফলে বাঁচানো যাচ্ছে না। আমি দক্ষ জনবল চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। আশা করি তারা এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’

স্থানীয়দের মতে, এই প্রজনন কেন্দ্র থেকে কুমির উৎপাদন করা গেলে দেশে কুমিরের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব। পরে এসব কুমির সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় আয়ও বাড়তে পারে।

বরগুনাকুমরি প্রজনন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি