সাভার
ভারতীয় গরু প্রবেশ নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা

ছবি: আগামীর সময়
কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে সাভারের প্রান্তিক খামারিদের ব্যস্ততা বাড়ছে তত। পশুর শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা, গোয়ালঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আর ক্রেতা আকর্ষণের নানা কৌশলে দিন পার করছেন তারা। তবে খামারিরা ভারতীয় গরু প্রবেশ নিয়ে রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। এ ছাড়া গো-খাদ্যের অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধিও ভোগাচ্ছে খামারিদের। হাটে পশুর ন্যায্য দাম না পেলে লোকসানের শঙ্কা শত শত প্রান্তিক খামারির।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় তথ্যমতে, সাভার উপজেলায় এক হাজার ২৩৯টি খামার। কোরবানির জন্য প্রস্তুত প্রায় ১৫ হাজার ১৮৬টি গবাদিপশু। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়েছে এসব পশু। কোনো ধরনের ক্ষতিকর হরমোন বা স্টেরয়েড ছাড়াই পশু মোটাতাজা করেছেন বলে দাবি খামারিদের।
সাভার অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক রুবেল জানালেন, ‘আমাদের ফার্মে গরু, ছাগল, মহিষ পালন করা হয়। কোরবানি ঈদের জন্য প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ক্রেতারা এসে বিভিন্ন জাতের ও আকারের গরু দেখছেন। তবে তুলনামূলক ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি।
সাভারের কমলা এলাকার গরুর খামারি আবিদুর হোসেনের ভাষ্য, এ বছর তুলনামূলকভাবে ভুসি, খৈল, খড় এবং ফিডের দাম প্রায় দ্বিগুণ। একটা গরুকে প্রতিদিন যে পরিমাণ খাবার দিতে হয়, তাতে বিক্রির সময় কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হবে। এখন লাভ-লোকসান নির্ভর করছে হাটের ওপর।
ছোট পরিসরে বাড়িতে ২০টি গরু নিয়ে খামার করেছেন আফজাল হোসেন। তার ভাষ্যে, ক্রেতার সাড়া পেলে এবং অন্য অঞ্চলের গরু সাভারে প্রবেশ না করলে খামারিরা লাভবান হবেন। কিন্তু ভারতীয় গরু ও অন্য অঞ্চলের গরু প্রবেশ করলে খামারিদের ক্ষতি হবে।
সাভার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারহানা জাহান বলেছেন, সাভারে বিভিন্ন জাতের গরু লালন-পালন করেছেন খামারিরা। আমরা খামারগুলো নিয়মিত পরিদর্শন, ভ্যাকসিন দেওয়া, প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেছি। সব ঠিক থাকলে লাভের মুখ দেখবেন খামারিরা।




