‘নড়াইল সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের দাবি জানালেন বক্তারা

ছবি: আগামীর সময়
নড়াইল জেলা ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ হলেও উন্নয়নের ধারায় বেশ অবহেলিত। বিশেষ করে পিছিয়ে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থায়। অনেক গুণীজনের জন্মস্থান হলেও এখানে নেই কোন সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়। ‘নড়াইল সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, গবেষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এ দাবি জানানো হয় বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত কৃষক মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠানে।
এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয় নড়াইলের বিছালী এলাকায় ঘরামি ঘর চত্বরে ও অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় সংসদের উদ্যোগে।
আলোচনা সভায় বক্তারা তুলে ধরেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান, চারণকবি বিজয় সরকার, ঔপন্যাসিক নীহার রঞ্জন গুপ্ত, নৃত্যশিল্পী উদয় শংকর, সেতারবাদক রবি শংকর, নজরুল সঙ্গীতের সুরকার কমল দাশ গুপ্তসহ অনেক গুণীজনের জন্মস্থান নড়াইল। এইসব গুণীজনের পূণ্যভূমিতে ‘নড়াইল সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপন এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নড়াইল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান।
সভাপতিত্ব করেন অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় সংসদের চেয়ারম্যান, সাপ্তাহিক সোনালী দিন পত্রিকার সম্পাদক ও নজরুল গবেষক এইচ এম সিরাজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন-বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন ঈশা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর সিটি কলেজের অধ্যাপক ড. সবুজ শামীম আহসান, যশোর ভবদহ কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মতলব সরদার, কৃষ্টিবন্ধন যশোরের সাধারণ সম্পাদক কবি এম এ কাশেম অমিয়, বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঘরামি ঘরের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কার মোল্যা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে রাত ১২টা পর্যন্ত জারি, বাউল ও বিচ্ছেদ গান পরিবেশন করেন নাজমুল ইসলাম বয়াতি, শামীম হোসেন বয়াতি ও শিশুশিল্পী সামিউল ইসলাম।

