টুপটুপ রিসোর্টের ম্যানেজার সুমনের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার রিসোর্টের ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম ওরফে সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আদালতে এ আবেদন করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ বলেন, আদালতে রিমান্ডের আবেদন করে নিহত ব্যক্তিদের ডিএনএর নমুনা নিয়ে তিনি ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদর দপ্তরে গেছেন। কক্সবাজার ফিরে রিমান্ড শুনানিতে অংশ নেবেন তিনি। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে সুমনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রিসোর্টের রেস্টুরেন্ট ব্যবস্থাপক সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে উখিয়া থানার উপপরিদর্শক আশিস সূত্রধর বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় রিসোর্টের মালিক তানভীর আহমদ ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোর্শেদসহ ২৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং বাকি ১৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলায় তানভীর আহমদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
তবে রিসোর্টের দুই মালিক তানভীর আহমদ ও নিয়াজ মোর্শেদের অবস্থান এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ঘটনায় কার কী দায়, তা নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত এবং মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহ, নিখোঁজ ব্যক্তি ও পরিচয় শনাক্তের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি এড়াতে ডিএনএ পরীক্ষার পর মরদেহ হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



