Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

স্বজনদের বুকে রক্তাক্ত স্মৃতি

  • হবিগঞ্জের ১৫ শহীদ
বদরুল আলম, হবিগঞ্জ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৩
স্বজনদের বুকে রক্তাক্ত স্মৃতি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হবিগঞ্জে প্রাণ হারান ১৫ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে ৫ আগস্ট বানিয়াচংয়ে। সেদিন পুলিশের গুলি ও সংঘর্ষে শিশু-কিশোর, শ্রমজীবী, সাংবাদিকসহ নিহত হন ৯ জন। আন্দোলনকারীদের হামলায় প্রাণ হারান এক পুলিশ উপপরিদর্শকও। পরদিন হাসপাতালে মারা যান গুলিবিদ্ধ আরও একজন। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রক্তাক্ত দিনের স্মৃতি ভুলতে পারেনি নিহতদের পরিবার। আর্থিক সহায়তা মিললেও স্বজন হারানোর শূন্যতা, বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ প্রতিদিনই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ৫ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল বানিয়াচংয়ের গ্যানিংগঞ্জ বাজার হয়ে থানার সামনে গেলে সংঘর্ষ বাধে পুলিশের সঙ্গে। আন্দোলনকারীরা ইটপাটকেল ছুড়লে রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও গুলি ছোড়ে পুলিশ। ঘটনাস্থলেই নিহত হন কয়েকজন। আহতদের মধ্যে পরদিন হাসপাতালে মারা যান আরও একজন। পরে নিহতদের পরিবার ও পুলিশের পক্ষ থেকে হয় পৃথক দুটি মামলা। বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

প্রত্যেক পরিবারেরই রয়েছে স্বজন হারানোর আলাদা গল্প। রঙমিস্ত্রি তোফাজ্জল মিয়ার বিয়ে হয়েছিল মৃত্যুর মাত্র দেড় মাস আগে। স্ত্রী শাহিনা আক্তারের কণ্ঠে বিষাদের স্বর, ‘নতুন সংসার শুরু করেছিলাম। হাতে মেহেদির রঙ শুকানোর আগেই স্বামীকে হারালাম।’

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানহবিগঞ্জফিরে দেখা জুলাইস্মৃতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise