খাদ্য গুদাম থেকে ২ ট্রাক গম সরিয়ে ফেলার চেষ্টা, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ আটক ৩
- প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

ঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী নগরীর মহেশ্বরপাশা মানিকতলা খাদ্য গুদামের সামনে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। ছবি: আগামীর সময়
খুলনায় খাদ্য গুদাম থেকে অনুমতি ছাড়া দুই ট্রাক গম সরিয়ে ফেলার অভিযোগে শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আরিফ হোসেনসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার জেরে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী নগরীর মহেশ্বরপাশা মানিকতলা খাদ্য গুদামের সামনে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। এতে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে অনুমতি ছাড়া কয়েকজন অবৈধভাবে খাদ্য গুদামের অভ্যন্তরের সাইলো থেকে দুই ট্রাক গম ভর্তি করে পাচারের চেষ্টা করে। ঘটনাটি টের পেয়ে গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খাদ্য গুদাম ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. আরিফ হোসেন, সাইলোর মেশিনম্যান মেহেদী হাসান ও এলইউ শাখার ইনভয়েস প্রস্তুতকারী মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে আটক করে। আজ মঙ্গলবার সকালে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা প্রথমে বিক্ষোভ ও পরে পাশের খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে দুইপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যানজট ও ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পরে নগরীর দৌলতপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেনের মধ্যস্থতায় সড়ক অবরোধ সাময়িক স্থগিত করা হয়।
তবে সভাপতিকে মুক্তি না দিলে শ্রমিকরা পুনরায় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সাইলোর সামনে অবস্থান করছিলেন।
কেএমপি উপপুলিশ কমিশনার সুদর্শন কুমার রায় জানালেন, গম চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে নগরীর দৌলতপুর থানার ওসি মু. মোরাদুল ইসলাম বললেন, মঙ্গলবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।



