Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের কল্যাণই রেজাউলের ব্রত
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

গোয়েন্দা কর্মকর্তা

বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেন সিদ্ধার্থ

রংপুর অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৯:১২
বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেন সিদ্ধার্থ

ফাইল ছবি

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ ৪ জনকে হত্যার পর বাসায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে সন্দেহে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেন সিদ্ধার্থ। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এভাবেই সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

তিনি জানান, গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর নিচে নেমে আসেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস। তখন ভোরের আলো ফুটেছে মাত্র। এসময় ঘুম থেকে জেগে বিছানায় বসে ছিল ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী। সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়। পরে বাসায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে সন্দেহে সেখানে থাকা একটি পুরনো প্লাস নিয়ে নিচতলায় গিয়ে বৈদ্যুতিক মিটারের তার কেটে ফেলেন সিদ্ধার্থ। এসময় শর্ট সার্কিট হয়। আর এ কারণে মেইন লাইন বিচ্ছিন্ন হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সময় মুগ্ধ ওপর তলায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে অনেকে নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ পুলিশের কাছে ছোট ছোট কিছু বিষয় গোপন করলেও আদালতে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে বিভ্রান্ত হবার কিছু নেই। পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশা করছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

২৫ আগস্ট ২০২৬

রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। তিনি নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এরপর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় জমি কিনে সেখানে বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। দোতলা বাড়ির নিচতলার কাজ শেষ হয়নি। দুই-তিন বছর ধরে দোতলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।

অবসরে যাওয়ার পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবে রোগীও দেখতেন গণপতি। গত শনিবার রাতে বাসা থেকে গণপতি (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার হয়।

তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় রবিবার ভোরে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন নগরীর মাছয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।

এদিন দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জানান, ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে তারা গণপতির বাড়ির ছাদে উঠেছিলেন। শব্দ শুনে গণপতি সেখানে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

গণপতি চক্রবর্তীরংপুরচার খুনশিক্ষক হত্যা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    কুমিল্লায় কিশোরী হত্যা: চট্টগ্রামে আটক অটোরিকশাচালক

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    হৃদরোগের ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তদন্ত কমিটি

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    মোহনগঞ্জে গাছের মগডাল থেকে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার

    ২১ বছর পর ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুনর্মিলনী, নিবন্ধন শুরু

    ২১ বছর পর ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুনর্মিলনী, নিবন্ধন শুরু

    খতিবের পক্ষে বিক্ষোভ, উত্তেজনা বায়তুল মোকাররমে

    খতিবের পক্ষে বিক্ষোভ, উত্তেজনা বায়তুল মোকাররমে

    সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

    সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

    এক বাবার স্বপ্নে আট মেয়ে শিক্ষক

    এক বাবার স্বপ্নে আট মেয়ে শিক্ষক

    যুদ্ধাপরাধের বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের স্বীকৃতি শান্তির নোবেলে

    যুদ্ধাপরাধের বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের স্বীকৃতি শান্তির নোবেলে

    ডিসির মতবিনিময় সভায় অস্ত্র মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি!

    ডিসির মতবিনিময় সভায় অস্ত্র মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি!

    ছিনতাইপ্রবণ মোহাম্মদপুর পার হতে হতে দেখা বিমান ছিনতাই

    ছিনতাইপ্রবণ মোহাম্মদপুর পার হতে হতে দেখা বিমান ছিনতাই

    সিএমপিতে কথায় কথায় ওসি বদল

    সিএমপিতে কথায় কথায় ওসি বদল

    মুক্তিযুদ্ধ একবার, তালিকা ৭ বার!

    মুক্তিযুদ্ধ একবার, তালিকা ৭ বার!

    রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হচ্ছে রবিবার

    রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হচ্ছে রবিবার

    সাম্প্রদায়িক শক্তি ফ্যাসিবাদের চেয়েও ভয়ানক

    সাম্প্রদায়িক শক্তি ফ্যাসিবাদের চেয়েও ভয়ানক

    নাশকতা মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতা আটক

    নাশকতা মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতা আটক