Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

গোয়েন্দা কর্মকর্তা

বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেন সিদ্ধার্থ

রংপুর ব্যুরো
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৯:১২
বাসায় সিসি ক্যামেরা থাকার সন্দেহে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেন সিদ্ধার্থ

ফাইল ছবি

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ ৪ জনকে হত্যার পর বাসায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে সন্দেহে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেন সিদ্ধার্থ। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এভাবেই সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

তিনি জানান, গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর নিচে নেমে আসেন সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস। তখন ভোরের আলো ফুটেছে মাত্র। এসময় ঘুম থেকে জেগে বিছানায় বসে ছিল ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী। সিদ্ধার্থকে চিনে ফেলায় তাকেও হত্যা করা হয়। পরে বাসায় সিসি ক্যামেরা রয়েছে সন্দেহে সেখানে থাকা একটি পুরনো প্লাস নিয়ে নিচতলায় গিয়ে বৈদ্যুতিক মিটারের তার কেটে ফেলেন সিদ্ধার্থ। এসময় শর্ট সার্কিট হয়। আর এ কারণে মেইন লাইন বিচ্ছিন্ন হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সময় মুগ্ধ ওপর তলায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছেন সিদ্ধার্থ।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়দের সহায়তায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে অনেকে নানাভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ পুলিশের কাছে ছোট ছোট কিছু বিষয় গোপন করলেও আদালতে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে বিভ্রান্ত হবার কিছু নেই। পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশা করছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

২৫ আগস্ট ২০২৬

রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। তিনি নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। এরপর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় জমি কিনে সেখানে বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। দোতলা বাড়ির নিচতলার কাজ শেষ হয়নি। দুই-তিন বছর ধরে দোতলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।

অবসরে যাওয়ার পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবে রোগীও দেখতেন গণপতি। গত শনিবার রাতে বাসা থেকে গণপতি (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার হয়।

তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় রবিবার ভোরে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন নগরীর মাছয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।

এদিন দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ জানান, ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে তারা গণপতির বাড়ির ছাদে উঠেছিলেন। শব্দ শুনে গণপতি সেখানে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

গণপতি চক্রবর্তীরংপুরচার খুনশিক্ষক হত্যা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫

    বঙ্গোপসাগরে ১৩ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৯

    ধর্ষণের শিকার শিশুটির সন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই

    ধর্ষণের শিকার শিশুটির সন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৪

    ‘দুজন ইয়াবাখোর নাকি একে একে চারজনকে মারছে, এটা হয়!’

    ‘দুজন ইয়াবাখোর নাকি একে একে চারজনকে মারছে, এটা হয়!’

    ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫৫

    জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভায় শফিকুর প্রধানমন্ত্রী, আযাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভায় শফিকুর প্রধানমন্ত্রী, আযাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪

    জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন

    জনদুর্ভোগ লাঘবে উদ্যমী তপন

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৯

    গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বিরাট সতর্কবার্তা

    গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া বিরাট সতর্কবার্তা

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৩

    রিজার্ভে চাপ বাড়াচ্ছে রূপপুর, জ্বালানি খাতে ১২ ঝুঁকি

    রিজার্ভে চাপ বাড়াচ্ছে রূপপুর, জ্বালানি খাতে ১২ ঝুঁকি

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৬

    আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

    আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ইরান, অভিযোগ নেতানিয়াহুর

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৯

    এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

    এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি অতিরিক্ত ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৩

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাড়ে ৬ বছরে ২৪৭ হত্যাকাণ্ড

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাড়ে ৬ বছরে ২৪৭ হত্যাকাণ্ড

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩

    আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

    আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৯

    চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’

    চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১২

    সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে ‘ডিএনএ পরীক্ষায়’ নির্দোষ বলেছিলেন সালমান মুক্তাদির

    সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে ‘ডিএনএ পরীক্ষায়’ নির্দোষ বলেছিলেন সালমান মুক্তাদির

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২৫

    নতুন নীতিমালার ভীতিতে সার সংকট

    নতুন নীতিমালার ভীতিতে সার সংকট

    ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৯

    advertiseadvertise