সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে : ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে শিশু শিক্ষার্থীদের হৃদরোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে কথা বলছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু— সংগৃহীত
রাজশাহীতে বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চীনের অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে তিন দিনব্যাপী শিশু শিক্ষার্থীদের হৃদরোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
চীনের ফুওয়াই ইউনান কার্ডিওভাসকুলার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগ এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে গত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ভূমিমন্ত্রী আরও বললেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। চীনের উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক মানের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।’
বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বললেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ জিয়াউর রহমান চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে সেই সম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।’
রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে যাতায়াত সহজ করতে কোর্ট-নাটোর সড়ক থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত সংযোগ সড়ক প্রশস্ত করার জন্য বিশেষ প্রকল্প নেওয়ার কথা জানান ভূমিমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (আরডিএ) নির্দেশনা দেন তিনি।
এ ছাড়া ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নকাজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুদান দেওয়ার আশ্বাসও দেন মন্ত্রী।
রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চীনের ফুওয়াই ইউনান কার্ডিওভাসকুলার হাসপাতালের ডেপুটি ডিরেক্টর (ইনচার্জ) ও বিশেষজ্ঞ দলের টিম লিডার লু জিয়াং, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আতাউল হক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চিফ কনসালট্যান্ট ও পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রইছ উদ্দিন, ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মো. হাসেন আলী ও মো. মাকসুদুল করিম সম্রাট।





