সৈয়দপুরের কসাইরা যাচ্ছেন ঢাকায়

ছবি: আগামীর সময়
নাদিম কোরাইশির মতো প্রায় অর্ধ-শতাধিক কসাই প্রতিবারের মতো এবারো প্রস্তুতি শুরু করেছেন ঢাকায় যাওয়ার, দিচ্ছেন ছুরি, চাকুতে ধার। ব্যাগে গোছাচ্ছেন পরিধেয় কাপড় ও কোরবানি করার সরঞ্জাম। প্রতিবছর সৈয়পুর থেকে ৩০ থেকে ৫০ জন কসাই ঈদের আগে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেন। বাড়তি আয়ের জন্য তাদের এই যাত্রা।
তাদের ভাষ্য , ঈদ উল আযহা আসলেই সৈয়দপুর শহরের প্রায় অর্ধ-শতাধিক কসাই গত ১৫ বছর থেকে বাপ-দাদার দেখানো পথ অনুসরণ করে বাড়তি আয়ের জন্য যান ঢাকায়। দল নেতারা পুর্ব থেকেই তাদের কাজের জায়গা নির্ধারণ করে রাখেন। ফলে তারা কাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়েন না।
তাদের দেওয়া তথ্যমতে, কোরবানির পর থেকে প্রায় দু’মাস সৈয়দপুরে মাংসের ব্যবসা মন্দা থাকে। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে মুলত ঢাকা যাওয়ার শুরু। ঢাকায় সৈয়দপুরের কসাইদের চাহিদা, দক্ষতার কারণে অন্যান্যদের চেয়ে বেশি। তাছাড়া ঢাকায় পশু কোরবানির জন্য হাজারে দুই’শ থেকে তিন’শ টাকা মিলে যা সৈয়দপুরের তুলনায় ৪ গুণ।
সৈয়দপুর কাজীপাড়া এলাকার কসাই আজগরের ভাষ্য, একমাস আগে থেকেই ঢাকার অনেকে বুকিং দিয়ে রাখেন। ঢাকায় আমার আত্মীয় থাকায় ঈদের তিন দিন আগে চার জনের একটি দল নিয়ে ট্রেনে করে ঢাকয় এসেছি। এখানে গরু প্রতি হাজোরে ২০০টাকা করে চুক্তি হয়।
সৈয়দপুর মাংস ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. নাদিম কোরাইশির ভাষ্য , ঢাকায় উপার্জিত অতিরিক্ত টাকা দিয়ে বেকার বসে থাকা দু’মাস স্বজনদের নিয়ে ভালোভাবে কাটে। ঢাকায় কাজ শেষে একেকজন আয় করেন কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।







