আরবি পড়তে যাওয়া শিশুকে ধর্ষণের মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন

জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে থেকে মুছা মিয়াকে নিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। ছবি: আগামীর সময়
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়া এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া ওরফে মুছা হুজুর (২৭) নামে এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রবিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ড পাওয়া মুছা মিয়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি গ্রাম্য জামে মসজিদে ইমামতি করতেন এবং শিশুদের আরবি পড়াতেন।
মামলার এজাহার সূত্র জানিয়েছে, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর মসজিদটিতে এ ঘটনা ঘটে। তখন ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ছিল ১৫ বছর। সে ওই মসজিদে আরবি পড়তে যেত। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে শিশুটিকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে একইভাবে ১ ও ২ ডিসেম্বরও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
পরে মেয়ের মা বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় তিনি ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বললেন, ‘আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত তাকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।’
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।



