Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

২৫৯ ছাত্রীর স্কুলে নেই নারী শিক্ষক

কাজি আবদুল্লাহ, ডুমুরিয়া (খুলনা)
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৫
২৫৯ ছাত্রীর স্কুলে নেই নারী শিক্ষক

‘এত বড় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে একজনও নারী শিক্ষক নেই, ভাবা যায়! মেয়েরা শুধু একজন নারী শিক্ষকের কাছেই নিজেদের অনেক কথা বলতে পারে, যা পুরুষ শিক্ষকের কাছে বলা সম্ভব নয়।’ কথাগুলো খুলনার ডুমুরিয়া সদরের একমাত্র সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুমুরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী দীপ-সরণী হৈমন্তীর।

বিদ্যালয়টিতে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কোনো নারী শিক্ষক নেই। ২৫৯ ছাত্রীকে পাঠদান করছেন ৯ জন পুরুষ শিক্ষক। এর মধ্যে ভৌতবিজ্ঞানসহ দুজন শিক্ষকের পদও শূন্য। শুধু শিক্ষকই নন, বিদ্যালয়টিতে নেই সরকারি কোনো আয়া, পিয়ন, অফিস সহকারী, নৈশপ্রহরী বা অফিস সহায়ক। ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ছাত্রীদের।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়ায় নারী শিক্ষার প্রসারে ১৯৭৭ সালে ডুমুরিয়া যুব সংঘের উদ্যোগে বাসস্ট্যান্ডের পাশে ২ একর ৩৭ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। ১৯৮৮ সালে তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল এইচ এম এ গাফফারের (বীরউত্তম) উদ্যোগে এটি সরকারি করা হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টিতে ছিলেন নারী শিক্ষক। তবে একে একে তারা অবসরে যান কিংবা বদলি হন। দুই বছর আগে শ্রেণিশিক্ষক কাবেরী গাইন বদলি হওয়ার পর আর কোনো নারী শিক্ষক নেই। সর্বশেষ প্রধান শিক্ষক সালমা রহমান ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল অবসরে যাওয়ার পর বিদ্যালয়টি হয়ে পড়ে পুরোপুরি নারী শিক্ষকশূন্য।

ছাত্রীরা বলছে, বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক ও মানসিক নানা বিষয়ে পুরুষ শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না। দশম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেছে, ‘আমরা সবাই মেয়ে। আমাদের কিছু শারীরিক সমস্যা থাকে, যা স্যারদের সঙ্গে বলা সম্ভব নয়। একজন মেয়েই আরেকজন মেয়ের সমস্যা ভালোভাবে বুঝতে পারেন।’

নবম শ্রেণির ছাত্রী রেজওয়ানা কবির সাবামনি বলেছে, ‘শারীরিক শিক্ষা বা জীববিজ্ঞান পড়ার সময় অনেক বিষয় নিয়ে আমরা সংকোচ বোধ করি। নারী শিক্ষক থাকলে এসব বিষয় সহজে আলোচনা করা যেত।’

অভিভাবকরাও বলছেন, মেয়েদের বিদ্যালয়ে অন্তত কয়েকজন নারী শিক্ষক থাকা জরুরি। বিশেষ করে, ছাত্রীদের ব্যক্তিগত ও শারীরিক সমস্যার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য একজন নারী শিক্ষক থাকা প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রতন বিশ্বাস বললেন, নারী শিক্ষক না থাকার বিষয়টি বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভৌতবিজ্ঞান পড়ানোর জন্যও দ্রুত একজন শিক্ষক প্রয়োজন।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সবিতা সরকার বলেছেন, ‘বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখব।’

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেছেন, নারী শিক্ষক দেওয়ার বিষয়টি মহাপরিচালককে জানানো হয়েছে।

খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলী আসগর লবি বলেছেন, ‘বিদ্যালয়টিতে নারী শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে আমি মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলব।’

ডুমুরিয়াখুলনাডুমুরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়নারী শিক্ষক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise