Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

কাপাসিয়ায় লাম্পি স্কিন রোগের প্রকোপ, গরুর মৃত্যুতে দিশেহারা কৃষক

  • কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রোগটির বিস্তার শঙ্কা তৈরি করেছে খামারিদের মধ্যে
  • খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে ও মশা-মাছি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে হবে
  • আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখলে রোগের বিস্তার অনেকাংশে কমবে
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১০:০৭
কাপাসিয়ায় লাম্পি স্কিন রোগের প্রকোপ, গরুর মৃত্যুতে দিশেহারা কৃষক

ছবি: আগামীর সময়

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় গবাদিপশুর মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে লাম্পি স্কিন রোগের প্রকোপ। ভাইরাসজনিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে। এতে কৃষকদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা। কোরবানির ঈদে সামনে রেখে রোগটির বিস্তার, শঙ্কা তৈরি করেছে খামারিদের মধ্যে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আক্রান্ত গরুর শরীরে প্রথমে জ্বর দেখা দেয়। পরে শরীর জুড়ে ছোট-বড় গুটি ও ফোলা সৃষ্টি হয়। অনেক ক্ষেত্রে এসব গুটি পেকে ঘায়ের আকার ধারণ করছে। কোথাও কোথাও ক্ষতস্থান পচে মারাত্মক আকার ধারণ করছে। ফলে পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে, খাদ্য গ্রহণ কমে যাচ্ছে এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে।

টোক ইউনিয়নের বড়চালা গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান জানিয়েছেন, তার সাত মাস বয়সী একটি ষাঁড় বাছুর লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এতে তিনি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

একই গ্রামের কৃষক শামসুল হক বলেছেন, `আমার পাঁচ মাস বয়সী একটি বকনা বাছুর এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। চিকিৎসার জন্য প্রায় পাঁচ হাজার টাকা খরচ করেছি। কিন্তু এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি।’

বারিষাব ইউনিয়নের লোহাদী গ্রামের কৃষক আতিকুর রহমান বললেন, ‘আমার তিনটি গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। চিকিৎসা করাতে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তারপরও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি।’


আরও পড়ুন

দিনাজপুরে লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব, ক্ষতির মুখে কৃষক

২৪ এপ্রিল ২০২৬

সিংহশী ইউনিয়নের কপালেশ্বর গ্রামের খামারি উল্লেখ করলেন, তার তিনটি গরুর শরীরে গুটি ও ফোলা দেখা দেয়। পরে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছেন তিনি। পাঁচ দিন ধরে চিকিৎসা চলছে।

রায়েদ ইউনিয়নের কৃষক রুবেল প্রধানের ভাষ্য, ‘আমার খামারে ছয়টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে একটি গরু লাম্পি রোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল মারা গেছে।’

টোক ইউনিয়নের কেন্দুয়াব গ্রামের কৃষক আক্তার আলীর কণ্ঠে ঝরে পড়ে উদ্বেগ, তার একটি বকনা বাছুর আক্রান্ত হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। গ্রামের অন্তত ১০ জন কৃষকের গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

স্থানীয় খামারিদের অভিযোগ, রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় একই খামারের একাধিক গরু আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়েছেন। আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা খামারিদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, রোগের কারণে পশুর বাজারমূল্য কমে যেতে পারে এবং প্রত্যাশিত লাভ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

স্থানীয় পশুচিকিৎসক জয়নাল আবেদীন স্পষ্ট করেন, লাম্পি স্কিন রোগ একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। সাধারণত মশা, মাছি ও অন্যান্য রক্তচোষা পোকামাকড়ের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত গরুর জ্বর, শরীরে গুটি, চামড়ায় ক্ষত ও ফোলা দেখা যায়। সময়মতো চিকিৎসা ও পরিচর্যা না করলে জটিলতা বাড়তে পারে।

তিনি পরামর্শ দিলেন, আক্রান্ত পশুকে আলাদা রাখতে হবে, খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং মশা-মাছি দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।

কাপাসিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ কে এম আতিকুর রহমান মন্তব্য করেন, বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিছু গরু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা ও খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খামারিদের আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত প্রাণিসম্পদ দপ্তর বা নিকটস্থ ভেটেরিনারি চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তার পরামর্শ, গবাদিপশুকে নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আনতে হবে, খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং মশা-মাছি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে হবে। আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখলে রোগের বিস্তার অনেকাংশে কমানো সম্ভব। প্রাণিসম্পদ বিভাগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

উপজেলার খামারি ও কৃষকরা রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে লাম্পি স্কিন রোগ আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে গবাদিপশু খাতে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

লাম্পি স্কিন রোগকাপাসিয়াগাজীপুরগরু
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise