নতুন ভিসির সভাপতিত্বে প্রথম সিন্ডিকেট সভা, অংশ নেননি চুয়েটের কেউ

সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে প্রথম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে ১৪৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্যসহ সিন্ডিকেটের ৬ সদস্য অংশ নেন। ছিলেন না চুয়েটের কোনো শিক্ষক।
সিন্ডিকেট সভা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সভায় ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মাহবুবুল হক পাটোয়ারী, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (অব.) খান আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান এবং চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। চুয়েটের সিন্ডিকেটে উপাচার্যসহ মোট সদস্যপদ ১৫টি। এর মধ্যে সহ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য রয়েছে।
সিন্ডিকেট সদস্য ও স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ রাশিদুল হাসান জানালেন, তিনি পরিবার নিয়ে ছুটিতে বান্দরবানে আছেন। এ কারণে সভায় যোগ দেননি।
সভায় অংশ নেওয়া সিন্ডিকেট সদস্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান বললেন, ‘আমি পুরো সভায় যুক্ত থাকতে পারিনি। তবে আমি যতক্ষণ সভায় ছিলাম, ততক্ষণ চুয়েটের কোনো সিন্ডিকেট সদস্যকে যুক্ত হতে দেখিনি। আমি যুক্ত থাকা অবস্থায় চার থেকে পাঁচজন সদস্য সভায় যুক্ত ছিলেন।’
আরেক সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জানান, ‘আমার মা অসুস্থ থাকায় আমি সভায় অংশ নিতে পারিনি।’
সভার বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়টি আলোচনায় এলেও কবে নাগাদ ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে অপসারণ করে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেন তারা। পরে আন্দোলনে যোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। বিক্ষোভ, মানববন্ধন, মিছিল ও কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ অধিকাংশ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।




