চট্টগ্রাম
রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে যুবদল কর্মীর ওপর হামলা, হাসপাতালে মৃত্যু

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চট্টগ্রাম নগরীতে ছুরিকাঘাতে আহত এক যুবদল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে মারা যান তিনি।
নিহত ব্যক্তির নাম আবু ইউসুফ জীবন (২৭)। তার বাড়ি চাঁদপুরে। ইউসুফ চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন।
রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, ইউসুফ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান জুয়েলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ওপর হামলাকারীরাও একই গ্রুপের বলে অভিযোগ করেন তারা।
গত মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার ২ নম্বর সড়কে আরিয়ান স্টোর নামে একটি দোকানের সামনে ইউসুফের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন আগামীর সময়কে জানান, ছুরিকাঘাতে আহত ইউসুফকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে শুরু থেকেই তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। আইসিইউতে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ তিনি মারা গেছেন।
এ ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামি থানায় যুবদল নেতা জুয়েলকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের মা কামরুন নাহার। মামলায় অজ্ঞাত আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে জুয়েলের ভাগনা মেহেদী হাসান বাদশাকে (২৫)। বাদশা নিজেও যুবদলের রাজনীতিতে জড়িত।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জীবনের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার সময় বাদশা তাকে ছুরিকাঘাত করেন।
মামলার বাকি আসামিরাও যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান জুয়েলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন, ইকরাম বাবু (২৯), পারভেজ(২৮), আরমান (২৫), নাবিদ (২৪), ফারুক (৪৫), রাপিদ (২৮), সোহান(২৪), সাহেদ(২১), সাহিল(২০), আলবিদ (২০), টেন্ডুল সাদ্দাম (৪০), রাশেদ (৪৮) ও জীবন (২৮)।
ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন আগামীর সময়কে বললেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাদশা ও ইউসুফের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া ছিল। এর জেরে হামলা করা হয়। হামলার মধ্যে বাদশা তাকে ছুরিকাঘাত করে। আমরা ঘটনাটি আরও তদন্ত করে দেখছি। আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’




