চবির হীরকজয়ন্তী ১৮ নভেম্বর

ছবি: আগামীর সময়
নানা অনুষ্ঠানামালায় আগামী ১৮ নভেম্বর উদযাপিত হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) হীরকজয়ন্তী। র্যালি, সেমিনার ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সম্বলিত ৬০ বছর পূর্তি উৎসবে অংশ নেবেন বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে এই উৎসব হবে।
আজ শুক্রবার বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি হীরকজয়ন্তী উদযাপনের কর্মসূচি ও রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য জানান, ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেবল সনদসর্বস্ব কোনো প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং জ্ঞানচর্চা, মুক্তবুদ্ধির বিকাশ, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও প্রগতিশীল চিন্তার অনন্য কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। হীরকজয়ন্তী কেবল অতীতের গৌরব স্মরণ করার আয়োজন নয় বরং বিগত ছয় দশকের অর্জন মূল্যায়ন, সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করা এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার দিকনির্দেশনা নির্ধারণের সুযোগ। পাশাপাশি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেলবন্ধন সুদৃঢ় করাও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হীরকজয়ন্তীতে অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ৩০ অক্টোবর অর্থাৎ আজ থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও বর্তমান শিক্ষার্থীদের কোনো ফি দিতে হবে না।
উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
আয়োজনের প্রথম পর্বে থাকবে বর্ণাঢ্য র্যালি, সেমিনার, স্মৃতিচারণ সভা, মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্ববিদ্যালয় মেলা। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের পরিবেশনায় নাট্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হীরকজয়ন্তীর আয়োজন শেষ হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




