Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

পাহাড়ের রাজনীতি

আঞ্চলিক দলের তিন দশকের বিভক্তি থামছে না

  • মূল সংগঠন ভেঙে বিদ্রোহী দল
  • ৯ বছরে শতাধিক হত্যা
  • তৃতীয় পক্ষ সমস্যা জিইয়ে রাখে
  • চুক্তি বাস্তবায়নে তাগিদ
প্রণব বল, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫১
আঞ্চলিক দলের তিন দশকের বিভক্তি থামছে না

ফাইল ছবি

পাহাড়ে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর বিরোধ প্রায় তিন দশকের, পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর নতুন দল গঠনের মধ্য দিয়ে। নবগঠিত চুক্তিবিরোধী ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও চুক্তির পক্ষের সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) বারবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে। সময়ের সঙ্গে মূল দুটি দল ভেঙে বিদ্রোহী দল হয়েছে। এভাবে দল ভাঙনের মধ্য দিয়ে তৃতীয় একটি পক্ষ পাহাড়ে পুরনো অস্থিরতা জিইয়ে রাখতে চায় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

উপদল গঠনের পর ৯ বছরে শতাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ছয় বছর মূল জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে অলিখিত একটি মৈত্রী দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমলে ২০২২ সালে ইউপিডিএফের দেওয়া একটি দাবিনামাকে কেন্দ্র করে ঐক্য প্রক্রিয়া ভেস্তে যায়। বর্তমানে দুটি দলের অবস্থান সাপে-নেউলে। আধিপত্য বিস্তার, পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবশেষ রাঙামাটির বাঘাইছড়ির পর্যটন এলাকা সাজেক ভ্যালিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলছে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা।

সাজেক ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকা জেএসএস দখল করে নিলে এ উত্তেজনা দেখা দেয়। নিজেদের ঘাঁটি হারিয়ে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইউপিডিএফ। এরপর ইউপিডিএফ-সমর্থিত দুটি সংগঠন সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন দফায় দফায় অবরোধের ডাক দেয়। তাদের অন্যতম দাবি, ‘জেএসএস সন্ত্রাসী’দের এলাকাছাড়া করার। এ নিয়ে অস্থির অবস্থায় রয়েছে পাহাড়। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের হামলা বা সংঘাতের ঘটনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

চলমান সমস্যা সমাধানে গত রবিবার রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির দুই সংসদ সদস্যসহ রাঙামাটিতে একটি বৈঠক হয়। সেখানে সাজেকের উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়। একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। ওই কমিটি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলবে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ রকিব হোসেন আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘দুই সংসদ সদস্য বিষয়টি দেখছেন। একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়, তা দেখা হচ্ছে। এখন অবরোধকারীদের দাবি তিন থেকে পাঁচ দফা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার-সংক্রান্ত কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।’

নতুন দল, নতুন করে সংঘাত

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর জেএসএসের সঙ্গে পার্বত্য চুক্তি সম্পাদন হয়। এ চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ের বিদ্রোহী পক্ষ হিসেবে পরিচিত শান্তিবাহিনী অস্ত্র সমর্পণ করে। ১৯৯৮ সালে চুক্তির বাস্তবায়ন প্রস্তুতি হিসেবে পার্বত্য মন্ত্রণালয়, জেলা ও আঞ্চলিক পরিষদ, ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন, শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। কিন্তু বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া বেশিদূর এগোয়নি বলে অভিযোগ জেএসএসের।

ওই বছর চুক্তির বিপক্ষে গিয়ে গঠিত হয় ইউপিডিএফ। অস্ত্র সমর্পণের মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তির যে বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল, নতুন দলের আবির্ভাবের পর ফের ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে তা ভেস্তে যায়। মূলত খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের ভালো অবস্থান। অন্যদিকে পুরো রাঙামাটি এবং বান্দরবানের বেশিরভাগ এলাকায় জেএসএসের শক্ত অবস্থান।

এরপর ২০০৭ সালে মূল সংগঠন জেএসএস ভেঙে গঠিত হয় জেএসএস (এমএন লারমা) নামে সংস্কারপন্থী একটি দল। তখন ত্রিমুখী সংঘাত শুরু হয়। ২০১৫ সালে তিন দলই একটি সমঝোতায় আসে যে, তারা আর সংঘাতে জড়াবে না। এরপর প্রায় আড়াই বছর বন্ধ ছিল সংঘাত।
২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ ভেঙে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নামে নতুন দল গঠিত হয়। প্রশাসনের একটি পক্ষের ছত্রছায়ায় তারা উপদল গঠন করে বলে প্রচার রয়েছে। তাদের বিচরণ মূলত সদর এলাকায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশপাশে।
ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক গঠনের এক মাসের মধ্যেই পুনরায় রক্ত ঝরে। কিন্তু তখনো জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে কোনো সংঘাত ছিল না। বিদ্রোহী দল দুটির লক্ষ্য ছিল ইউপিডিএফ। এ সময় স্বনির্ভরে ৭ খুন, বাঘাইছড়িতে ব্রাশফায়ারে ৮ হত্যা, জেএসএস (এমএন লারমা) সংগঠক শক্তিমান চাকমা ও ইউপিএডএফ (গণতান্ত্রিক) তপনজ্যোতি হত্যাকাণ্ডসহ আলোচিত ঘটনা ঘটে। এসব হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগ ঘটেছে খাগড়াছড়ি এবং খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সীমান্তবর্তী নানিয়ারচর ও বাঘাইছড়ি এলাকায়।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ রকিব হোসেন জানিয়েছেন, নানিয়ারচর ও কাউখালী এলাকায় মাঝেমধ্যে আধিপত্য-সংক্রান্ত বিরোধ হয়।

জেএসএস-ইউপিডিএফ বিরোধ যেভাবে

বিদ্রোহজনিত হত্যাকাণ্ড ও সংঘাতের মধ্যেও জেএসএস এবং ইউপিডিএফ চিরবৈরিতা ভুলে অলিখিতভাবে এক ছিল। একে অন্যের এলাকায় গেলেও কোনো সংঘাত হতো না। তাদের দুপক্ষের শত্রু তখন দল দুটির বিদ্রোহী গ্রুপ-জেএসএস (লারমা) ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক। পাহাড়ের বিশিষ্টজনদের সমন্বয়ে সংঘাত বন্ধের বিষয়টি একটি সামগ্রিক ঐক্য প্রক্রিয়ার দিকে এগোচ্ছিল।

এই ঐক্য প্রক্রিয়ার মধ্যে ২০২২ সালের ৯ জুন খাগড়াছড়িতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারের কাছে ৮৭টি দাবিনামা পেশ করে ইউপিডিএফ। এ দাবিনামার অনেক ধারা ও উপধারা ১৯৯৭ সালে সম্পাদিত পার্বত্য চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ। এটা নিয়ে তখন সরকারের সঙ্গে সব পক্ষের একটা ডায়ালগের চেষ্টা চলছিল। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয় জেএসএস। তাদের পাশ কাটিয়ে এ ধরনের উদ্যোগে আবার দুই দলের বিরোধ চাঙ্গা হয়। এরপর তারা বিভিন্ন এলাকায় আবার সংঘাতে জড়ায়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে। এরপরও এই আধিপত্য বিস্তার অব্যাহত রয়েছে। সাজেকের আগে সবশেষ জুলাই মাসে পানছড়িতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এখন ‘জেএসএস সন্ত্রাসী’দের বিতাড়নসহ নানা দাবিতে সাজেকে অবরোধ চলছে।

ইউপিডিএফের সঙ্গে একসময় সদ্ভাব ছিল স্বীকার করে জেএসএসের সহকারী তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা আগামীর সময়কে বললেন, ‘আমরা চুক্তির পর সশস্ত্র সংঘাত থেকে সরে এসেছি। জনসংহতি সমিতি সবসময় চুক্তি বাস্তবায়ন হোক, তা চায়। চুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু চুক্তির বিরোধিতার নামে বিভিন্ন জায়গায় দখল, আধিপত্য, হামলা করা মানা যায় না।’

তবে ইউপিডিএফ পাল্টা হামলা ও দখলের অভিযোগ আনছে জেএসএসের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য দলটির মুখপাত্র অংগ্যা মারমাকে বারবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে সাজেক সংকট নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো ইউপিডিএফের একটি বিবৃতিতে অংগ্য মারমা বলেছেন, ‘মূলত জেএসএস সন্তু গ্রুপের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়ার ন্যায্য দাবিতে সাজেকবাসীর চলমান শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধ চলছে। সাজেকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে ওই এলাকা থেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে।’

চুক্তি বাস্তবায়নে জোর
পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতির এ সমস্যাকে স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, সরকারকে সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আন্তরিক হতে হবে। এজন্য পার্বত্য চুক্তিসহ নতুন নতুন দাবি বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগী হতে হবে। না হলে এই আধিপত্য কিংবা চাঁদাবাজি-সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব-সংঘাত থামবে না। বিভিন্ন পক্ষ পাহাড়ি সংগঠনগুলোর মধ্যে এ ধরনের সংঘাত জিইয়ে রেখে লাভবান হতে চায় বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জানতে চাইলে মানবাধিকার কর্মী নিরূপা দেওয়ান বললেন, ‘যদি পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা না হয়, তাহলে এ ধরনের অস্থিরতা বারবার হবে। এখন সরকার চায় সমাধান করতে, জনগণও চায় সমাধান। যেসব কারণে সমস্যা হচ্ছে, সেগুলোকে অ্যাড্রেস করে সমাধানের পথ বের করতে হবে। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন কিংবা আরও যা যা দাবি আছে, সেগুলোর বিষয়ে স্থায়ী সমাধান দরকার।’

পাহাড়ইউপিডিএফ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিএনপি নেতাদের সালিশ, পরদিন নারীর আত্মহত্যা

    প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিএনপি নেতাদের সালিশ, পরদিন নারীর আত্মহত্যা

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    কথাকারের মোড়কে আদতে এক ক্ষ্যাপা কবি

    কথাকারের মোড়কে আদতে এক ক্ষ্যাপা কবি

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলবে দিনে

    অটোরিকশা নিয়ে পালাচ্ছে চোর, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর পিটুনিতে নিহত ২

    অটোরিকশা নিয়ে পালাচ্ছে চোর, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর পিটুনিতে নিহত ২

    ভিডিও করেন পাকিস্তানি, ছড়িয়ে দেওয়া ভারতীয় যুবকও সৌদি কারাগারে

    ভিডিও করেন পাকিস্তানি, ছড়িয়ে দেওয়া ভারতীয় যুবকও সৌদি কারাগারে

    প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আলোচনায় মাতারবাড়ী বিজনেস হাব

    প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আলোচনায় মাতারবাড়ী বিজনেস হাব

    জন্মদিনে সুখবর দিলেন পরীমনি

    জন্মদিনে সুখবর দিলেন পরীমনি

    ২৪ বছরেও বেতন নেই, শিক্ষক হামিদ বিক্রি করেন কাঁঠালপাতা

    ২৪ বছরেও বেতন নেই, শিক্ষক হামিদ বিক্রি করেন কাঁঠালপাতা