Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিচিত্রা

কারুশিল্পে স্বপ্ন বুনেন সুমি-মলি

সজীব হাসনাত
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬
কারুশিল্পে স্বপ্ন বুনেন সুমি-মলি

কারুশিল্পের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন অনেক নারী

বিয়ের অনুষ্ঠানে একটি রুচিসম্মত ডালা সবারই চাই। কিন্তু একটি বিয়ের ডালা তৈরি করতে লাগে সময়, ধৈর্য আর যত্ন। বাঁশ, বেত, কাপড় আর নানা সাজসজ্জার উপকরণ দিয়ে তৈরি প্রতিটি ডালায় থাকে কারিগরের নিজস্ব ভাবনা। কারও বিয়ের আয়োজনকে সুন্দর করে তোলার জন্য যে ডালা তৈরি হয়, সেটিই আবার একজন নারীর সংসারে আয়ের পথ খুলে দিতে পারে। মুন্সীগঞ্জ জেলার হাঁসাড়ার সুমি দাসের জীবনে এই শিল্পের অর্থ ঠিক এমনই। ঘরের কাজ আর সন্তানকে বড় করে তোলার ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের হাতে তৈরি পণ্যের মধ্য দিয়ে তিনি খুঁজে নিয়েছেন এগিয়ে যাওয়ার পথ।
বাংলাদেশে এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছেন, যাঁদের জীবিকা গড়ে উঠেছে পারিবারিক ঐতিহ্য, নিজস্ব দক্ষতা ও হাতে তৈরি পণ্যকে ঘিরে। কেউ তৈরি করেন বিয়ের সামগ্রী, কেউ বাঁশ বেতের আসবাব, আবার কেউ ঘর সাজানোর নান্দনিক উপকরণ। এসব কাজের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতির পরিচয়। তবে কাজ জানলেই যে ব্যবসা সহজ হয়, তা নয়। কাঁচামাল কেনার টাকা, নিয়মিত উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া এবং ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর সুযোগের অভাবে অনেক ছোট উদ্যোক্তাকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হয়।
আয়ের পথে সুমি দাসের পথচলা শুরু হয়েছিল বিয়ের পর। সংসারের দায়িত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু নিজের কিছু করার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলেননি তিনি। আট বছর আগে ঘরে বসে বিয়ের ডালা তৈরির কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ে, বাড়ে পণ্যের বৈচিত্র্যও।
শুধু প্রচলিত নকশার ডালা তৈরি করেই থেমে থাকেননি সুমি। ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী তৈরি করছেন ব্রাইডাল গিফট বক্স, কুলা, পান সাজানোর ট্রে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাজসজ্জার সামগ্রী। রং, নকশা ও উপকরণের সমন্বয়ে প্রতিটি পণ্যকে আলাদা করে তোলার চেষ্টা করেন তিনি। তার কাছে এই কাজ শুধু সংসারের খরচে সহযোগিতা করার উপায় নয়, নিজের দক্ষতা দিয়ে একটি পরিচয় গড়ে তোলারও সুযোগ।
এখন সুমির স্বপ্ন, নিজের তৈরি পণ্য নিয়ে একটি অনলাইন ব্র্যান্ড গড়ে তোলা। ঘরে বসে যেসব পণ্য তৈরি করেন, সেগুলো যেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারে, সেই প্রত্যাশা তাঁর। ছোট পরিসরে শুরু করা কাজকে আরও বড় করার এই পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস।
সুমির মতো হাঁসাড়ার আরেক নারী মলি রানী দাসের পরিবারের গল্পেও রয়েছে ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। তিনি এবং তার স্বামী যতীন কুমার দাস একসঙ্গে তাদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যতীন কুমার দাস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। পড়াশোনা শেষে প্রচলিত চাকরির পথে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি পরিবারের বাঁশ বেতের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মলি যুক্ত হন ব্যবসায়, দুজনে মিলে এগিয়ে নেন পারিবারিক ব্যবসা।
যতীনের কাছে বাঁশ-বেতের কাজ কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটি পেশা নয়। রসায়নের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে এই শিল্পের পণ্যের মান বাড়ানো যায়, তা নিয়েও কাজ করেছেন তিনি। আর্দ্রতা, ছত্রাক ও পোকামাকড়ের কারণে বাঁশ বেতের পণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রং করার পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। তাঁর লক্ষ্য, এমন পণ্য তৈরি করা, যা দেখতে সুন্দর হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য হবে।
বর্তমানে তাদের তৈরি পণ্যের মধ্যে রয়েছে বেতের আসবাব, বাঁশের ল্যাম্পশেড, সংরক্ষণের ঝুড়ি, দেয়ালসজ্জার সামগ্রী এবং রান্নাঘরে ব্যবহারের নানা উপকরণ। পুরোনো কারুশিল্পকে সময়ের চাহিদার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। তাদের সংসারে রয়েছে একটি ছোট মেয়ে ও একটি ছেলে। সন্তানদের জন্য একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি তাঁরা চান, পরবর্তী প্রজন্মও পারিবারিক এই কাজের মূল্য বুঝুক এবং কারুশিল্পকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে দেখুক।
সুমি ও মলি রানী দাসের কাজ আলাদা হলেও তাদের চ্যালেঞ্জের জায়গাটি অনেকটা একই। পণ্য তৈরির দক্ষতা আছে, কাজের প্রতি আগ্রহ আছে, নতুন কিছু করার পরিকল্পনাও আছে। কিন্তু ব্যবসা নিয়মিত চালাতে প্রয়োজন অর্থ। কাঁচামাল কেনা, উৎপাদনের খরচ মেটানো এবং ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করতে পর্যাপ্ত পুঁজি না থাকলে ছোট উদ্যোগের গতি থমকে যেতে পারে।
এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুমি ও মলি দাসের পরিবার পদক্ষেপ-এর (বাংলাদেশের একটি অন্যতম এনজিও) আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমের আওতায় ঋণ সেবা গ্রহণ করেন। এই অর্থ কাঁচামাল কেনা, দৈনন্দিন ব্যবসায়িক ব্যয় সামলানো এবং উৎপাদন চালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের সঙ্গে যুক্ত উৎপাদকদের হাতে কার্যকরী মূলধন সীমিত থাকে। সময়মতো অর্থের সংস্থান তাদের ব্যবসা চালু রাখা কিংবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদনের ধরন ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থায়নসেবা প্রদান করা, যাতে তাঁরা প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কিনতে পারেন, নিয়মিত উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারেন এবং ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় করতে পারেন।
বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাতে সুমি ও মলি দাসের মতো উদ্যোক্তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের হস্তশিল্প খাতে যুক্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৬। তাঁদের মধ্যে ৮২ হাজার ৯৩৭ জন নারী, যা মোট কর্মীর ৫৫ দশমিক ৮ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই খাতে কর্মরতদের প্রায় ৯৫ দশমিক ৮ শতাংশ গৃহভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।
এই চিত্র থেকে বোঝা যায়, হস্তশিল্প শুধু ঐতিহ্য ধরে রাখার মাধ্যম নয়, অনেক পরিবারের আয়েরও গুরুত্বপূর্ণ উৎস। বিশেষ করে নারীদের জন্য ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ সংসারের দায়িত্বের পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার পথ তৈরি করে।
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও হস্তশিল্পের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই বাজারের বার্ষিক সম্ভাব্য আকার ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিয়ের সামগ্রী, ঘর সাজানোর পণ্য এবং হাতে তৈরি উপহারসামগ্রীর চাহিদা এই বাজারকে এগিয়ে নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের হস্তশিল্পের চাহিদা রয়েছে। তবে রপ্তানি আয়ের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখায়, এই খাতে আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের ২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের হস্তশিল্প রপ্তানি আয় ছিল ৩ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার ডলারের তুলনায় কম।
এই পরিস্থিতিতে পণ্যের মান উন্নয়ন, নতুন নকশা, বাজার সম্প্রসারণ এবং উদ্যোক্তাদের জন্য উপযুক্ত অর্থায়ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুমির অনলাইন ব্র্যান্ড গড়ে তোলার পরিকল্পনা এবং মলি দাসের পণ্যের স্থায়িত্ব বাড়ানোর চেষ্টা দেখায়, ঐতিহ্যবাহী দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েও নতুন বাজারের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত হস্তশিল্প খাতে ১৭ হাজার ৮২৪টি ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে মোট ২৭৮ কোটি ৪ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে। এ ধরনের আর্থিক সহায়তা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন সচল রাখা এবং ব্যবসার পরিসর বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই শিল্পের বিকাশের জন্য অর্থায়নের পাশাপাশি প্রয়োজন দক্ষতা উন্নয়ন, উন্নত উৎপাদনপদ্ধতি এবং বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ।
ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প আমাদের সাংস্কৃতিক অতীতের সঙ্গে সংযোগের চেয়েও অনেক বেশি কিছু। এটি বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের হাজারো পরিবারের জীবিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। উপযুক্ত আর্থিক সেবা ও বাজারসংযোগের সুযোগের মাধ্যমে স্থানীয় কারিগরেরা তাঁদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে, জীবিকার ভিত্তি শক্তিশালী করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভিত গড়ে তুলতে পারেন।
সুমি দাসের হাতে তৈরি একটি বিয়ের ডালা হয়তো কোনো পরিবারের আনন্দের দিনে বিশেষ স্থান করে নেবে। এবং মলি দাসের তৈরি বাঁশ বেতের আসবাব কিংবা ঘর সাজানোর সামগ্রীও জায়গা করে নেবে কারও ঘরে। কিন্তু এসব পণ্যের পেছনে থাকা মানুষগুলোর কাছে কাজের অর্থ আরও গভীর। এই কাজ তাঁদের সংসারের আয়, নিজেদের দক্ষতার পরিচয় এবং সন্তানদের জন্য ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
তাদের গল্প মনে করিয়ে দেয়, ঐতিহ্যকে ধরে রাখা মানে শুধু পুরোনো রীতিকে বাঁচিয়ে রাখা নয়। সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন চিন্তা, শিক্ষা ও কাজের সুযোগ যুক্ত হলে তা মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে। সুমি নিজের তৈরি পণ্য দেশের আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চান। মলি দাস চান, তাঁদের পারিবারিক ব্যবসা আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াক এবং সন্তানদের কাছেও এই পেশার সম্মান অটুট থাকুক।
এই স্বপ্ন পূরণে তাঁদের পরিশ্রমের পাশাপাশি প্রয়োজন ধারাবাহিক সহায়তা, উপযুক্ত অর্থায়ন এবং বাজারে প্রবেশের সুযোগ। কারণ একজন কারিগরের হাতে তৈরি পণ্যের মূল্য শুধু তার দামে নির্ধারিত হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি পরিবারের জীবিকা, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা দক্ষতা এবং আরও ভালোভাবে বেঁচে থাকার আশা। সেই আশাতেই সুমি, মলি দাস কাজ করে চলেছেন। তাঁদের হাতের সুনিপুণ কারুকাজে যেমন ফুটে ওঠে ঐতিহ্যের সৌন্দর্য, তেমনি প্রতিদিনের শ্রমে তৈরি হচ্ছে তাঁদের পরিবারের আগামী দিনের সম্ভাবনা।

লেখক
যুগ্ম পরিচালক ও প্রধান, পদক্ষেপ মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ


নারীকারুশিল্প
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    দিনাজপুর থেকে ফিরছিলেন সিলেটে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    ইসলামী ব্যাংকে ১ মাসে আমানত কমল ১৯ হাজার কোটি

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    ভয় না পেয়ে পরিবর্তন গ্রহণ করেন যারা ভবিষ্যৎ তাদেরই

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা