ইরানে নতুন হামলার ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর
- হরমুজে এক সপ্তাহে ১২ জাহাজে হামলা, নতুন করে তেলবাহী জাহাজে আগুন

হরমুজের জলরাশিতে আগুন। তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের খবরের মধ্যেই ইরানকে ঘিরে সামরিক অভিযান নিয়ে আলোচনা চলছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নতুন অভিযান নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবেন না। ইরানের মাটিতে সেনা পাঠানোর পরিকল্পনাও তার নেই। কিন্তু তাতে যুদ্ধের আশঙ্কা কাটছে না।
গতকাল শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নিউজম্যাক্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেছেন। পরমাণু অস্ত্র সম্পর্কে তার বক্তব্য, ‘এটি ব্যবহার করব না। আমাদের তার প্রয়োজন নেই।’ স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘তেমনটা দেখছি না।’ তবে প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে নতুন হামলার পথ তিনি বন্ধ করেননি।
পটভূমিতে রয়েছে মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার খবর। বৃহস্পতিবার রয়টার্স জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যম সিএনএনের দাবি অনুযায়ী, ইরানের পরমাণু ও জ্বালানি স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের বিকল্পও বিবেচনায় রয়েছে। ‘মাদার অব অল বম্বস’ নামে পরিচিত এই অস্ত্র পরমাণু বোমা নয়। তবে পরিকল্পনা বিবেচনায় থাকলেই হামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এমন নয়।
ইসরায়েলের অবস্থান ঘিরে অনিশ্চয়তা আরও গভীর। গত মঙ্গলবার অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ফের শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে। তবে হোয়াইট হাউজ এমন আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। নেতানিয়াহুর দপ্তরও কথোপকথনের বিষয়বস্তু প্রকাশ করেনি। ফলে নতুন অভিযান নিশ্চিত নয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালির পূর্ব দিকে একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন দেখতে পাওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানি নৌবাহিনী। গতকাল প্রেস টিভি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে— ইরানের দাবি, অবস্থান শনাক্তের যন্ত্র বন্ধ করে জাহাজটি নিষিদ্ধ জলসীমা পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিল।



