ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক উৎপাদন দ্রুত বাড়াচ্ছে ইসরায়েল

সংগৃহীত ছবি
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েল সরকার অ্যারো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ষষ্ঠ সপ্তাহে গড়ানোর প্রেক্ষাপটে এবং ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অ্যারো ব্যবস্থা ইসরায়েলের বহুস্তরবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ স্তর, যা বায়ুমণ্ডলের বাইরে বা তার সীমানায় দীর্ঘ-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য তৈরি। চলমান সংঘাত এবং জুনের ১২ দিনের যুদ্ধে ইরান প্রধানত এই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এবং মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আমির বারামের উদ্যোগে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি অনুমোদন করেছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এর ফলে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি এগিয়ে নেবে, যা ‘অভিযানের সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উৎপাদনের গতি ও প্রতিরোধকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সহায়তা করবে।’
এ সিদ্ধান্ত এমন সময় এসেছে, যখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ইসরায়েল তাদের প্রতিরোধক মজুদে চাপের মুখে পড়তে পারে। মার্চে ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা এমন একটি প্রতিবেদন অস্বীকার করেন, যেখানে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে তাদের প্রতিরোধক ‘গুরুতরভাবে কমে যাচ্ছে।’
কাৎজ সোমবার বলেছেন, ‘ইসরায়েলের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত প্রতিরোধক রয়েছে।’
তিনি যোগ করেন, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ‘অবিরাম সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আয়াতুল্লাহ শাসনব্যবস্থার জানা উচিত—ইসরায়েল একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র, যা প্রয়োজন হলে দীর্ঘ সময় ধরে এই অভিযান চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।’















