যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আদালতে খারিজ

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী রুমেইসা ওজতুর্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টা খারিজ করেছেন এক অভিবাসন বিচারক। ফিলিস্তিনিপন্থী ক্যাম্পাস আন্দোলনে জড়িত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে নেওয়া অভিযানের অংশ হিসেবে গত বছর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে তার আইনজীবীরা সোমবার জানিয়েছেন।
তুর্কি ওই শিক্ষার্থীর পক্ষে থাকা আইনজীবীরা নিউইয়র্কভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সার্কিট আপিল আদালতে দাখিল করা নথিতে অভিবাসন বিচারকের সিদ্ধান্তের কথা জানান। আদালতটি এর আগে মে মাসে ওজতুর্ককে অভিবাসন হেফাজত থেকে মুক্তির যে আদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা পর্যালোচনা করছিলেন।
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) আইনজীবীরা লিখেছেন, গত ২৯ জানুয়ারি এক অভিবাসন বিচারক রায় দেন যে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) ওজতুর্ককে বহিষ্কারের উপযুক্ত প্রমাণ হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তার বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম বাতিল করা হয়।
ওজতুর্কের অভিবাসন আইনজীবী মাহসা খানবাবাই জানান, বোস্টনে অভিবাসন বিচারক রূপাল প্যাটেল এই সিদ্ধান্ত দেন।
এর ফলে আপাতত সেই কার্যক্রমের অবসান ঘটে। এর শুরু হয়েছিল গত মার্চে ম্যাসাচুসেটসের একটি রাস্তায় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে ওজতুর্ক গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তার শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল করেছিল।
এক বিবৃতিতে ওজতুর্ক বলেন, ‘আজ আমি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছি। বিচারব্যবস্থার ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও আমার মামলা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দ্বারা অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আশা জাগাতে পারে।’
অভিবাসন বিচারকের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আনা হয়নি। প্রশাসন চাইলে বিচার বিভাগাধীন বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলসে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।

