Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে অভিবাসীদের জয়জয়কার, এর কী প্রভাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:২৮
শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে অভিবাসীদের জয়জয়কার, এর কী প্রভাব

অভিবাসী ভোটারদের ব্যালট হাতে দেখা যাচ্ছে। ছবি / সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অভিবাসী, মুসলিম, কৃষ্ণাঙ্গ, সমকামী ও আদিবাসী প্রার্থীদের উল্লেখযোগ্য জয় দেশটির রাজনীতিতে নতুন প্রতিনিধিত্বের চিত্র তুলে ধরেছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে একাধিক প্রার্থী প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতি, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীদের নিয়ে বিতর্ক এবং রাজনৈতিক বিভাজনের মধ্যে এসব জয়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

৩ নভেম্বরের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় স্পষ্টভাবে এবারের মধ্যবর্তী ভোটে ঠিক কতজন অভিবাসী বা অন্য সংখ্যালঘু নির্বাচিত হয়েছেন তা বলা যাচ্ছে না। তবে, নতুন কংগ্রেসে বিদেশে জন্ম নেওয়া অভিবাসী সদস্যের সংখ্যা আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ জন হতে পারে। আর অভিবাসী ও অভিবাসী পরিবারের সন্তানদের একসঙ্গে ধরলে সংখ্যাটি ৮০ থেকে ৯০ জনের কাছাকাছি হতে পারে।
নির্বাচনী সমাবেশে আবদুল এল-সাইয়েদ। ফাইল ছবি / রয়টার্সঅন্যদিকে, এবারের নির্বাচনে অন্তত সাতজন মুসলিম প্রার্থী কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন—ছয়জন প্রতিনিধি পরিষদে এবং একজন সিনেটে। কৃষ্ণাঙ্গ, লাতিনো, আদিবাসী ও সমকামী প্রতিনিধিদেরও বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক জয় রয়েছে। সে হিসেবে সংখ্যাটি শতাধিক হবে নিশ্চিত।

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদেও জয় পেয়েছে দলটি। অর্থনৈতিক চাপ, ইরান যুদ্ধ, শুল্কনীতি, অভিবাসন দমন এবং সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ এই ফলাফলে ভূমিকা রেখেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। রয়টার্সের বিশ্লেষণেও এসব বিষয়কে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিবাসী ও সংখ্যালঘুদের জয়

এবারের নির্বাচনে অভিবাসী পরিবারের সন্তান এবং বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ পদে জয় পেয়েছেন। টেক্সাসে প্রথম লাতিনা গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট জিনা হিনোজোসা। ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথম নির্বাচিত লাতিনো গভর্নর হয়েছেন জেভিয়ার বেসেরা। তিনি মেক্সিকান অভিবাসী পরিবারের সন্তান।

নিউ মেক্সিকোতে ডেব হালান্ড হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অঙ্গরাজ্যের প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নর। তিনি লাগুনা পুয়েবলো সম্প্রদায়ের সদস্য। মিনেসোটায় সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন পেগি ফ্লানাগান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম আদিবাসী নারী সিনেটর।

কৃষ্ণাঙ্গ প্রার্থীদের জয়ও উল্লেখযোগ্য। জর্জিয়ায় কিশা ল্যান্স বটমস দেশটির ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। উইসকনসিনে ডেভিড ক্রাউলি এবং নেভাদায় অ্যারন ফোর্ড হয়েছেন অঙ্গরাজ্য দুটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর। অন্যদিকে ফ্লোরিডায় রিপাবলিকান প্রার্থী বায়রন ডোনাল্ডসও অঙ্গরাজ্যটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন।
জর্জিয়ায় কিশা ল্যান্স বটমস। ফাইল ছবি / রয়টার্সমুসলিম প্রার্থীদের জয়ও এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সায়েদ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর।

নিউ জার্সিতে অ্যাডাম হামাউই প্রথম মুসলিম হিসেবে কংগ্রেসে অঙ্গরাজ্যটির প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। নিউইয়র্কে দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়েরও প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হয়েছেন। সব মিলিয়ে অন্তত সাতজন মুসলিম প্রার্থী কংগ্রেসের দুই কক্ষে জয় পেয়েছেন।

এ ছাড়া নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিস পাপাস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ হিসেবে সিনেটে যাচ্ছেন। এসব জয় দেশটির রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে আগে কম প্রতিনিধিত্ব পাওয়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ার দিকটি তুলে ধরেছে।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রভাব

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও বহিষ্কার অভিযান সরকারের অন্যতম প্রধান নীতি। সীমান্তের বাইরেও বিভিন্ন শহরে অভিবাসন কর্মকর্তাদের অভিযান বেড়েছে। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গির্জার মতো সংবেদনশীল স্থানেও অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে আগের বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। অভিবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

কেএফএফের এক জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় অর্ধেক অনথিভুক্ত অভিবাসী চিকিৎসা নিতে গিয়ে আটক বা বহিষ্কারের আশঙ্কায় চিকিৎসা এড়িয়ে গেছেন। অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে স্বজনদের আটক বা বহিষ্কার নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে।

নির্বাচনে বিশেষ করে লাতিনো ভোটারদের সমর্থন ডেমোক্র্যাটদের দিকে ফেরার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের পক্ষে যাওয়া অনেক লাতিনো ভোটার এবার অর্থনৈতিক চাপ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অভিবাসন কর্মকর্তাদের অভিযানের কারণে অসন্তুষ্ট হয়েছেন বলে নির্বাচনী বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। টেক্সাস ও ফ্লোরিডার লাতিনো ভোটারদের মধ্যে এই পরিবর্তন বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
জয়ের পর ইলহান ওমারের উচ্ছ্বাস। ছবি/ সংগৃহীতঅর্থাৎ, অভিবাসনবিরোধী কঠোর অবস্থান সব ভোটারের কাছে একইভাবে গ্রহণযোগ্য থাকেনি। অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগ শুধু অনথিভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া মানুষ, বৈধ অভিবাসী এবং অভিবাসী পরিবারের সদস্যরাও এর প্রভাব অনুভব করছেন। ফলে অভিবাসননীতি ভোটের মাঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

গ্রামীণ এলাকায় ভোট বিপ্লব

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে কয়েক বছর ধরে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর সুফল পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আইওয়া, কানসাস, টেক্সাস ও উইসকনসিনের মতো রিপাবলিকান-প্রধান এলাকায় প্রতিনিধি পরিষদ, সিনেট ও গভর্নর পদে জয় পেয়েছে দলটি।

কৃষকদের ওপর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্কনীতি ও ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব এসব এলাকায় ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি অভিবাসীদের বহিষ্কার অভিযান ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে অসন্তুষ্ট হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনও ডেমোক্র্যাটদের দিকে সরে এসেছে। কানসাস ও টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তুলনায় হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে প্রায় ৪০ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।
গ্রামীণ এলাকায় ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী প্রচার বুথ। ছবি / রয়টার্সরয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রামীণ এলাকায় ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে ডেমোক্র্যাটরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া, স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করা এবং প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে দলটি। আইওয়ায় প্রার্থীরা যৌথ প্রচার চালিয়েছেন। কানসাসে গত চার বছরে দলটির স্থানীয় শাখার সংখ্যা ৫৭ থেকে বেড়ে ৬৮ হয়েছে।

তবে এই জয়কে সরাসরি ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, এটি মূলত ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে ভোটারদের অসন্তোষের প্রতিফলন। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও এই সাফল্য ধরে রাখতে হলে গ্রামীণ এলাকায় ধারাবাহিকভাবে সময় ও অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে ডেমোক্র্যাটদের।

জয়ের ফলে কী বদলাবে

ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় অভিবাসননীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পারবে। বিশেষ করে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা আইসের (আইসিই) অভিযান, আটককেন্দ্রের পরিবেশ, বহিষ্কার প্রক্রিয়া এবং অভিবাসীদের আইনি অধিকার নিয়ে তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জোরালো হতে পারে।

টেক্সাস ও জর্জিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট গভর্নর নির্বাচিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় অভিবাসন সংস্থাগুলোর সঙ্গে অঙ্গরাজ্য প্রশাসনের সহযোগিতার ধরনেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে অভিবাসননীতি পুরোপুরি বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনই দেখছেন না বিশ্লেষকরা। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসনের গণবহিষ্কার কর্মসূচির জন্য কংগ্রেসে বিপুল অর্থ বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে। আইন পরিবর্তনে সিনেটের বাধা এবং প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতাও রয়েছে।
প্রতিনিধি পরিষদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন রো খান্না। ফাইল ছবি/ রয়টার্সএ ছাড়া নির্বাচিত মুসলিম, কৃষ্ণাঙ্গ, আদিবাসী ও সমকামী প্রতিনিধিদের জয় মানেই সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সব সমস্যা সমাধান নয়। তাঁদের রাজনৈতিক প্রভাব নির্ভর করবে কংগ্রেসের কমিটিতে ভূমিকা, দলীয় নেতৃত্বে অবস্থান, জোট গঠন এবং আইন প্রণয়নের সক্ষমতার ওপর।

সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রতিনিধিত্বের পরিসর বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতি ও সামগ্রিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষেরও ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে নির্বাচনী জয়কে বাস্তব নীতিগত পরিবর্তনে রূপ দিতে নতুন প্রতিনিধিদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

সূত্র : রয়টার্স, আলজাজিরা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনযুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীমধ্যবর্তী নির্বাচন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান