যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে কাজের ভিসায় লাগতে পারে ১ লাখ ডলারের ফি

প্রতীকী ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর দেশটিতে কাজ করতে ইচ্ছুক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার জন্য ১ লাখ ডলার ফি আরোপের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
মার্কিন আদালত এইচ-১বি ভিসার ক্ষেত্রে ১ লাখ ডলার ফি আরোপের প্রস্তাব বাতিল করার পর ট্রাম্প প্রশাসন এ নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ (ওপিটি) ভিসার ওপর এ উচ্চ ফি আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে। ওপিটি হলো শিক্ষার্থীদের এফ-১ ভিসার একটি বর্ধিত সুবিধা।
ওপিটি কর্মসূচির আওতায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করার পর নিজেদের শিক্ষার বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কাজে এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে পারেন।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রায় ৪ লাখ ১৯ হাজার বিদেশি ওপিটি কর্মসূচির আওতায় কাজ করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়া প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসায় ১ লাখ ডলার ফি আরোপের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল।
ডিএইচএসের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো নীতিকেই চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করা উচিত নয়। বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতে আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের উপায় কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে ডিএইচএসে সবসময় আলোচনা হয়।’
এইচ-১বি ও শিক্ষার্থী ভিসার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারাও দেশটির বাইরে থেকে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের জন্য ১ লাখ ডলারের জামানত আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। আবেদনকারীরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নাগরিকত্ব পাওয়ার পরই শুধু সেই অর্থ ফেরত পাবেন।
ওপিটি কর্মসূচি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা বেছে নেওয়ার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
ওপিটি না থাকলে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী স্নাতক শেষ করার পরই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বাধ্য হবেন। সে ক্ষেত্রে তারা মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত দক্ষতা অন্য দেশের শ্রমবাজারে নিয়ে যাবেন।




