Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

শিয়রে বিপদ, তবু আল-মুগাইয়ির ছাড়তে নারাজ ফিলিস্তিনিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৫
শিয়রে বিপদ, তবু আল-মুগাইয়ির ছাড়তে নারাজ ফিলিস্তিনিরা

অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চলছে আল-মুগাইয়িরের বাসিন্দাদের।

শিয়রে চলছে সমূহ বিপদ, জীবন হারানোর ভয়। তবু আল-মুগাইয়ির নিজের ঘর ছাড়তে নারাজ ফিলিস্তিনিরা। পশ্চিম তীরের আল-মুগাইয়ির গ্রামে বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, ইসরায়েলি সেনার অভিযান, জমিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চলছে।

১৪ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গ্রামের এই পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন আল-মুগাইয়িরের বাসিন্দা ও লেখক হারুন বশারা। বশারার জীবনে মোড় ঘোরানো দিন ১২ এপ্রিল ২০২৪। তার দাবি, সেদিন শত শত সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারী ইসরায়েলি সেনার সুরক্ষায় গ্রামে ঢুকে বাড়িঘর ও গাড়িতে আগুন ধরায়। অন্তত ২৫ জন আহত হন। নিহত হন ২৫ বছরের জিহাদ আবু আলিয়া। হামলাকারীরা বশারার বাড়িতেও ঢুকে আগুন ধরানোর চেষ্টা করে। স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ধোঁয়ায় আটকে পড়েছিলেন তিনি। তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ভয়াবহ মানসিক আঘাত পাওয়ায় আগে ভাগে সন্তানের জন্ম দিতে হয়। কিন্তু ছেলে ইয়াকুব মাত্র দু’দিন বেঁচেছিল।

রামাল্লার প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে অবস্থিত গ্রামটিতে বাস করেন ৪ হাজারের কম মানুষ। গত তিন বছরে চারপাশে আটটি বসতি স্থাপনকারীদের আউটপোস্ট গড়ে উঠেছে। প্রায় ৪৩ হাজার দুনাম (৪৩ বর্গকিলোমিটার) জমির অধিকাংশেই এখন গ্রামবাসীদের প্রবেশ কার্যত বন্ধ। কোথাও বন্ধ সামরিক এলাকা তো কোথাও আবার বসতি স্থাপনকারীদের হামলার আশঙ্কা।

২০২৩ সালের অক্টোবরের পর গ্রামের প্রধান পূর্ব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমের পথটি সামরিক চেকপোস্ট নিয়ন্ত্রিত। ফলে শ্রমিক, শিক্ষক ও পণ্যবাহী গাড়ির যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়েছে।

কৃষিও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে। ২০২৫ সালে হাজার হাজার জলপাইগাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। গ্রিনহাউস ধ্বংস, ফসল পোড়ানো এবং চারণভূমিতে প্রবেশে বাধার কারণে গ্রামের পশুপালন খাতের প্রায় ৮০ শতাংশ ভেঙে পড়েছে বলে জানা যায়। ৯০টিরও বেশি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা ভাঙার নির্দেশের আওতায় রয়েছে। সহিংসতায় বহু বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে গ্রামের একটি স্কুলের কাছে গুলিতে ১৪ বছরের আওস হামদি আল নাসান ও জিহাদ আবু নাঈম নিহত হন। গত জুলাইয়ে ১৭ বছরের ফাদি আল নাসানও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আহত হওয়ার পর মারা যায়। তবু গ্রাম ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা। কেউ আহত হলে গোটা গ্রাম পাশে দাঁড়ায়, বাড়ি ভাঙলে আবার তা গড়ে তোলা হয়, উপড়ে ফেলা জমিতে ফের গাছ লাগানো হয়। বশারার ভাষায়, এই প্রতিরোধই তাদের একমাত্র শক্তি।

 

ভাষান্তর: রুবাইয়া জেসমিন

ফিলিস্তিনিপশ্চিম তীরআল মুগাইয়ির
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise