Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মনিরুলের ‘মানবতার দুয়ার’
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

ইসরায়েলের হামলার ভয়াবহ মূল্য

পরিবার হারিয়ে পথে পথে গাজার ৬০ হাজার শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৩
শেয়ার করুন:
পরিবার হারিয়ে পথে পথে গাজার ৬০ হাজার শিশু

ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর গাজা উপত্যকায় মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর হয়েছে। যুদ্ধের জেরে প্রায় ৬০ হাজার শিশু অনাথ হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি উন্নয়ন সংস্থা তাওয়ুন। সংস্থাটির দাবি, এটি গাজার মোট শিশুর প্রায় ৬ শতাংশ, যা এই ভূখণ্ডের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।
দ্য নিউ আরব কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাওয়ুনের মহাপরিচালক ড. তারেক এমতাইরাহ বলেন, আগের প্রতিটি সংঘাতের পরই অনাথ শিশুদের নিয়ে কাজ করেছে তাদের সংস্থা। কিন্তু এবারের যুদ্ধের ব্যাপ্তি এতটাই ভয়াবহ যে, প্রচলিত সহায়তা ব্যবস্থা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তাওয়ুনের নতুন প্রতিবেদন Lighting the Path for Orphaned Children in Gaza – A Call to Action- এ বলা হয়েছে যুদ্ধাহত ও অনাথ শিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং মানসিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ২৫০ ছাড়িয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ২০ লক্ষ বাসিন্দার অধিকাংশই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। স্কুল, হাসপাতাল, নার্সারি এবং শিশুদের সহায়ক অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অনাথ হওয়া মানে শুধু বাবা মাকেই হারানো নয়। শৈশবের পুরো নিরাপত্তা বলয় হারিয়ে ফেলা।

ড. এমতাইরাহ জানান, বহু পরিবার এখন শুধুমাত্র মায়ের ওপর নির্ভরশীল। বিধবা মা বা নারী আত্মীয়রা বোমাবর্ষণ, খাদ্যসংকট ও বারবার স্থানচ্যুতির মধ্যেও শিশুদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে চলেছেন। কিন্তু এখনও প্রয়োজনের তুলনায় সহায়তা অত্যন্ত সীমিত। বর্তমানে তাওয়ুন প্রায় ২১ হাজার অনাথ শিশুর দায়িত্বে থাকলেও সংকটের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেইসব শিশুদের নিয়ে, যারা হামলায় আহত হলেও পরিবারের কেউ জীবিত নেই। একসময় এমন প্রায় এক হাজার শিশুর নথিভুক্ত তথ্য পাওয়া যায়, যার মধ্যে প্রায় ৫০ জন তাওয়ুনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া গেলেও আইনগত অভিভাবক না থাকায় প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করার কেউ নেই। ফলে তারা মানবিক সংকটের পাশাপাশি আইনি অনিশ্চয়তারও শিকার হচ্ছে ক্রমশ। শিক্ষাব্যবস্থার ধস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অধিকাংশ স্কুল ধ্বংস হয়েছে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তাই তাওয়ুন ও সহযোগী সংস্থাগুলি অস্থায়ী শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তুলছে। যেখানে শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিক সহায়তা ও নিরাপদ পরিবেশ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে অনেক শিশুর খোঁজ রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

ড. এমতাইরাহ বলেন, বর্তমান সহায়তা কার্যক্রম বিচ্ছিন্ন ও সমন্বয়হীন। তাই প্রতিটি অনাথ শিশুর তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি জাতীয় নিবন্ধন ব্যবস্থা এবং কার্যকর সমন্বয় কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে তাওয়ুন। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে যে , যুদ্ধের মানসিক ক্ষত দীর্ঘদিন বহন করতে হবে এই শিশুদের। ভয়, ট্রমা, বাক্‌প্রতিবন্ধকতা এবং অল্প বয়সেই ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তাদের স্বাভাবিক শৈশব কেড়ে নিচ্ছে। এই কারণেই তাওয়ুন নতুন ‘গাজা ৩৬০ কেয়ার মডেল’ চালু করেছে। যেখানে খাদ্য ও আশ্রয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা এবং মানসিক পুনর্বাসনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি শুধু মানবিক সহায়তার প্রকল্প নয়। গাজার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচিয়ে রাখার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

ভাষান্তর : রুবাইয়া জেসমিন

ইসরায়েলের হামলাগাজাগাজার অনাথ শিশু
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বিয়ে করলেন শিক্ষক, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    মাধবপুরে পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪২৯২ লিটার তেল চুরি

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    পরীমনিকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, চারটি স্থগিত

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    বকেয়া বিলের সংযোগ কাটতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বিদ্যুৎকর্মী

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    সারা দেশে জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে

    হাসিনার উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে