Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

দীর্ঘ যুদ্ধকেই সুবিধাজনক মনে করছে ইরান?

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১৯:০১
দীর্ঘ যুদ্ধকেই সুবিধাজনক মনে করছে ইরান?

সংগৃহীত ছবি

শুরু থেকেই ইরানি কর্মকর্তারা জোর দিয়ে আসছেন তারা দীর্ঘমেয়াদি মুখোমুখি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। এই বার্তা দিয়েই তারা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য ধৈর্য ও প্রস্তুতির একটি চিত্র তুলে ধরতে চান। গত ২ মার্চ দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি ঘোষণা করেন, তেহরান একটি দীর্ঘ সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

‘ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয়, দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছে,’ আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছিলেন তিনি।

এছাড়াও তেহরানের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমায় সীমাবদ্ধ নয়। এর ফলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন সংঘাত কয়েক মাস বা তার চেয়েও দীর্ঘকাল চলতে পারে।

গত ৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি না চাওয়ার কথা ব্যক্ত করেন সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ। ‘আমরা অবশ্যই যুদ্ধবিরতি চাইছি না। আমাদের আক্রমণকারীকে শাস্তি দিতেই হবে। ইসরায়েলের সঙ্গে অস্তিত্বগত যুদ্ধে লিপ্ত আমরা।’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়েনিকর কণ্ঠেও একই সুর। ‘ইরান তার আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা শত্রুর প্রত্যাশার চেয়ে বহু গুণ বেশি সময় ধরে বজায় রাখতে পারে।’

‘ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে তার অস্ত্র ব্যবহারের ধাপগুলো ভাগ করে চালাচ্ছে। অর্থাৎ সব সক্ষমতা একসঙ্গে নয়, বরং আরও উন্নত সক্ষমতার কিছু অংশ পরবর্তী পর্যায়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে,’ যোগ করলেন তিনি।

ইরানের কৌশল কী

কিছু বিশ্লেষক মনে করেন ইরান এমন একটি কৌশলের ওপর দাঁড়িয়ে আছে যেখানে ইরানি বাহিনী ধারাবাহিকভাবে বা ধাপে ধাপে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে। ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্বার্থের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করছে।

এ ধরনের হামলার কয়েকটি লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমত, এগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বাধ্য করে আগত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্রিয় হতে। প্যাট্রিয়ট বা থাডের মতো এসব ব্যবস্থা প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হলেও অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সীমিত সংখ্যক, এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রতিরোধই ধ্বংস করা ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের তুলনায় বেশি ব্যয়সাপেক্ষ।

দ্বিতীয়ত, ধারাবাহিক হামলা দেশগুলোর প্রতিরোধকারী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত, লজিস্টিক নেটওয়ার্ক ও সামরিক প্রস্তুতিকে চাপে ফেলতে পারে।

ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী লড়াইয়ের প্রথম সপ্তাহেই দ্রুতগতিতে সুনির্দিষ্ট অস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। আবার কিছু বিশ্লেষককের মতে, অতিরিক্ত অস্ত্র ব্যবহারের এই মাত্রা সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতা উন্মোচিত করছে।

ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, তাদের অস্ত্র সরবরাহ অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান গতিতে অন্তত ছয় মাস তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে।

কয়েকজন কমান্ডারের দাবি, ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সম্পূর্ণ নিজস্ব। একাধিক উৎপাদন কেন্দ্র ও বড় মজুত থাকার কারণে ইরান দীর্ঘ সময় ধরে হামলা চালাতে সক্ষম।

ইরান মনে হচ্ছে সময় ধরে হামলাগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে যাতে প্রতিপক্ষকে হঠাৎ, সিদ্ধান্তমূলক কোনো বৃহৎ আক্রমণের মুখে পড়ার বদলে একটানা প্রতিরক্ষা বজায় রাখতে হয়। এই কৌশলটি একটি বৃহত্তর সামরিক মতবাদের প্রতিফলন, যা ইরান কয়েক দশকের মধ্যে বৃহত্তর শক্তিধর দেশগুলোর সামরিক সুবিধা মোকাবিলায় গড়ে তুলেছে।

১৯৮০–এর দশকের ইরান–ইরাক যুদ্ধের পর ইরান অসম যুদ্ধ কৌশলে ব্যাপক বিনিয়োগ করে।

এই পদ্ধতি এমন সরঞ্জাম ও কৌশলের ওপর গুরুত্ব দেয়, যা প্রচলিত যুদ্ধক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্বের ওপর নির্ভর না করেই শক্তিশালী বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম। লক্ষ্য সবসময় শক্তিশালী শত্রুকে সরাসরি পরাজিত করা নয়, বরং যেকোনো সামরিক সংঘাতকে ব্যয়বহুল, দীর্ঘস্থায়ী ও অনিশ্চিত করে তোলা।

সংঘাত যত দীর্ঘায়িত হবে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকিও তত বাড়বে। ওই অঞ্চলের দেশগুলো, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো, বৃহত্তর যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং কিছু দেশ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়েছে। তবে ইরান বলছে তারা এসব দেশে আগ্রাসী সম্পদ ও ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করছে।

একইসঙ্গে, চলমান সংঘাত আঞ্চলিক জোটের বিন্যাস বদলে দিতে পারে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে ইরানের প্রতিপক্ষে ঠেলে দিতে পারে।

ইরানের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া মানে সামরিক কৌশল, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা।

এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চ্যালেঞ্জ হতে পারে ক্ষয়ক্ষতির এই লড়াই চালিয়ে যাওয়া। একদিকে সামরিক অভিযান বজায় রাখা; অন্যদিকে বৈশ্বিক আর্থিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত ব্যয়ের ব্যবস্থাপনা করা।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

স্পেশাল-১ইসরায়েল-ইরান সংঘাত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise