হরমুজে ইরানের ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ছবি: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালি তিনটি তেল ট্যাংকারে হামলার জবাবে ইরানের ওপর ‘শক্তিশালী’ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) স্থানীয় সময় মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা প্রণালিটিতে থাকা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ৬০টিরও বেশি ছোট নৌকাসহ ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন হামলাকে গত মাসে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তেহরান ‘চূড়ান্ত ব্যবস্থা’ নেবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস ও সিরিকে হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে স্প্লিন্টারের আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
যদিও তিনটি ট্যাংকারের ওপর হামলার দায় ইরান সরাসরি স্বীকার করেনি। তারপরেও এর জেরেই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, ৬০টি ছোট নৌকার পাশাপাশি তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালিয়েছে। তবে তারা তাদের লক্ষ্যবস্তুগুলোর অবস্থান জানায়নি।
কিউবায় ফের ব্ল্যাকআউট
০৮ জুলাই ২০২৬
সেন্টকম বলেছে , একটি আন্তর্জাতিক জলপথে নিরীহ নাবিকদের মাধ্যমে পরিচালিত বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করে আক্রমণ করার জন্য কঠোর জবাব দিতে এই মার্কিন হামলা চালানো হয়েছে।
হামলাগুলোর আগে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ একটি ছাড়পত্র প্রত্যাহার করে নেয়, যার মাধ্যমে ইরানের ওপর থেকে তেলের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং এটি গত মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের একটি অংশ ছিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপকে সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে এবং বলেছে যে এটি মার্কিন সরকারের ‘অসৎ উদ্দেশ্য, অসংগতি ও অবিশ্বস্ততা’ প্রমাণ করে।
সোমবার প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ট্যাংকারের ইঞ্জিন রুমে অজ্ঞাত স্থান থেকে আঘাত করা হয়, এরপর একপাশে আগুন লেগে যায়।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুটি পৃথক ঘটনায় একটি ট্যাংকার প্রণালি থেকে বের হওয়ার সময় হামলার শিকার হলেও পরবর্তীতে বন্দরে যেতে সক্ষম হয়। অন্য আরেকটি ট্যাংকার হামলায় সামান্য কাঠামোগত ক্ষতির শিকার হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি





