Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
সমাজ বদলের লড়াইয়ে চা বিক্রেতা
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ভারত

ভারতের তরুণদের আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধীর ছাপ

অ্যাডভোকেট সানি যাদব
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১৬:৪৮
ভারতের তরুণদের আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধীর ছাপ

যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে লেখক (ডানে)

ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন। এই আন্দোলনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামীর সময়ের পাঠকদের জন্য লিখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানি যাদব।

বহু বছর ধরেই বলা হয়ে আসছে, সমকালীন ভারতে মহাত্মা গান্ধীর দর্শন আর প্রাসঙ্গিক নয়। সমালোচকদের দাবি, অহিংসা, ধর্মনিরপেক্ষতা, সত্য এবং সহমর্মিতার মতো তার আদর্শ বিভাজনের রাজনীতি ও ক্রমবর্ধমান মেরুকরণের আড়ালে চাপা পড়ে গেছে। কিন্তু ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন এই বহুল প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এই আন্দোলন দেখিয়ে দিয়েছে, গান্ধীর মূল্যবোধ শুধু ইতিহাসের বই বা স্মৃতিসৌধে সীমাবদ্ধ নয়; সেগুলো আজও সাধারণ ভারতীয়দের, বিশেষ করে তরুণদের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই বেঁচে আছে—অনেক সময় তারা নিজেরাও তা উপলব্ধি না করেই।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় গান্ধী নারীদের ঘরের বাইরে এসে প্রভাতফেরি, সত্যাগ্রহ এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের নৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন নারীরাই। সিজেপি আন্দোলনেও যেন সেই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি দেখা গেছে। হাজারো নারী শুধু অংশগ্রহণকারী হিসেবেই নয়, বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ও রক্ষক হিসেবেও রাস্তায় নেমেছেন। তারা স্লোগান দিয়েছেন, মানববন্ধন গড়েছেন এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সহযোদ্ধাদের রক্ষা করতে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। তাদের উপস্থিতি স্বাধীনতা সংগ্রামে গান্ধীর পাশে দাঁড়ানো নারীদের কথা মনে করিয়ে দেয়।

এই আন্দোলনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে অনশনকে বেছে নেওয়া। সোনম ওয়াংচুক অনশন শুরু করেন। একই সঙ্গে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এআইএসএফ)-এর মতো প্রধানত বামপন্থী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনের শিক্ষার্থীরাও সংঘাতের পরিবর্তে অনশনের পথ বেছে নেন। ইতিহাসজুড়ে বিশ্বের বহু কমিউনিস্ট ও বিপ্লবী আন্দোলন সশস্ত্র সংগ্রামের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। অথচ এই শিক্ষার্থীরা সচেতনভাবেই গান্ধীর সত্যাগ্রহের পথ অনুসরণ করেছেন। তারা দেখিয়েছেন, নৈতিক সাহস অনেক সময় শারীরিক শক্তির চেয়েও বেশি ক্ষমতাবান হতে পারে। এই দৃশ্য দেখে আমার মনে পড়েছিল একটি প্রশ্ন—‘গান্ধী আজও কেন প্রাসঙ্গিক?’ সেই প্রশ্নের উত্তর যেন আমার চোখের সামনেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।

বর্তমান রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর বহু বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মনে করেছিলেন, গান্ধীয় ধর্মনিরপেক্ষতা গুরুত্ব হারিয়েছে। তাদের মতে, ঐক্যের রাজনীতির জায়গা নিয়েছে বিভাজনের রাজনীতি এবং ভালোবাসা ও সম্প্রীতির গান্ধীয় বার্তা আর কার্যকর নেই। কিন্তু সিজেপি আন্দোলন ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। বিভিন্ন ধর্ম, জাত, ভাষা ও অঞ্চলের মানুষ অসাধারণ সংহতির সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন। এই আন্দোলন গান্ধীর ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণাকেই প্রতিফলিত করেছে—যেখানে শুধু সহনশীলতা নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং অভিন্ন মানবিকতাই মুখ্য। এটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, ভারতের প্রকৃত শক্তি তার বৈচিত্র্যে, আর সেই বৈচিত্র্য অর্থবহ হয় তখনই, যখন তার সঙ্গে সহমর্মিতা যুক্ত থাকে।

এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তরুণ প্রজন্ম। তারা উৎসাহের সঙ্গে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছে, কিন্তু তাদের বিপ্লব ছিল গভীরভাবে গান্ধীয়। ঘৃণার বদলে তারা ভালোবাসার চর্চা করেছে, সহিংসতার বদলে বেছে নিয়েছে অহিংসার পথ। দিল্লির তীব্র গরমে শিক্ষার্থীরা একে অন্যকে পানির বোতল দিয়েছেন, হাতে ধরা পাখা বিলিয়ে দিয়েছেন এবং সবাই যেন পর্যাপ্ত পানি পান করেন, তা নিশ্চিত করেছেন। পুরো পরিবেশে ছিল সহমর্মিতা, বিরোধ নয়। বন্ধু হয়ে উঠেছেন পরিচর্যাকারী, অপরিচিত মানুষ হয়েছেন সহযাত্রী। আন্দোলনটি বাস্তব জীবনে সহমর্মিতার এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছিল।

বিশেষ করে ২০ জুলাই সংসদ মার্গের ঘটনাগুলো এই চেতনারই প্রতিফলন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠলেও বিক্ষোভকারীদের বড় অংশই শৃঙ্খলা ও অহিংসা বজায় রেখেছিলেন। তারা একে অপরকে বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, এটি একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। কেউ লাঠিচার্জ করা পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়েছেন। আবার কেউ কাঁদানে গ্যাস ছোড়া আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের পানীয় জল বিতরণ করেছেন। তাদের বার্তা ছিল স্পষ্ট—ঘৃণার জবাবে ভালোবাসা, সহিংসতার বিপরীতে শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ এবং শত্রুতার ঊর্ধ্বে মানবতা। আন্দোলনের প্রতিটি অংশগ্রহণকারী অন্যের প্রতি আন্তরিক যত্ন ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন।

এই দৃশ্যগুলো দেখে আমার মনে প্রশ্ন জেগেছিল—এমন আচরণের উৎস কোথায়? আমার বিশ্বাস, এর উত্তর লুকিয়ে আছে ভারতীয় সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত গান্ধীয় চেতনায়। গান্ধীর দর্শন আজ ভারতের নৈতিক চেতনার অংশ হয়ে গেছে। এটি টিকে আছে এই কারণে নয় যে প্রত্যেক ভারতীয় ‘হিন্দ স্বরাজ’ পড়েছেন; বরং তার মূল্যবোধ ভারতীয়দের সম্মিলিত সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে গেছে। ‘বিকামিং গান্ধী’ কথাটির প্রকৃত অর্থ সম্ভবত এটাই।

এই আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল জেনারেশন জেড। আমি প্রায়ই ভাবি, তাঁদের মধ্যে কতজন সত্যিই গান্ধীর লেখা পড়েছেন? হয়তো খুব বেশি নয়। কিন্তু এই ঘটনাগুলোর অনেক আগেই আমি বন্ধুদের বলতাম, ভারতের ভেতরে গান্ধীর একটি নৈতিক উত্তরাধিকার জীবন্ত রয়েছে। সিজেপি আন্দোলন সেই বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।

বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা এবং রাজনৈতিক প্রচারাভিযানের মাধ্যমে গান্ধীর উত্তরাধিকারকে খাটো করার চেষ্টা হয়েছে। তাকে অপ্রাসঙ্গিক কিংবা ভারতের সমস্যার জন্য দায়ী হিসেবেও উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব প্রচারণা অনেক তরুণের ওপর প্রভাবও ফেলেছে। তবু গান্ধীর আদর্শ সেই প্রচারণার চেয়েও অনেক বেশি স্থিতিশীল ও শক্তিশালী প্রমাণিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আমার মনে পড়ে বিখ্যাত উক্তিটি—‘গান্ধী কখনো মারা যান না।’ তার শারীরিক অস্তিত্ব ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেও তার নীতিগুলো আজও সাধারণ মানুষের কর্মকাণ্ডে জীবন্ত হয়ে ওঠে।

এই আন্দোলনের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিকগুলোর একটি ছিল তরুণদের সৃজনশীলতা। তারা নিজেদের সময়ের ভাষায় কথা বলেছে—রিল, পোস্টার, মিম এবং ডিজিটাল প্রচারণার মাধ্যমে। তারা সরাসরি গান্ধীর উদ্ধৃতি না দিয়ে তাঁর বার্তাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছে। একটি ভাইরাল স্লোগানে লেখা ছিল, ‘লেটস ব্রিং ব্যাক সিজন ১ প্লেয়ার’। এখানে ‘প্লেয়ার’ বলতে বোঝানো হয়েছে মহাত্মা গান্ধীকেই। এটি ছিল রসিকতাপূর্ণ হলেও গভীর অর্থবহ একটি বার্তা—ভারতের আবারও প্রয়োজন অহিংসা, সত্য এবং নৈতিক সাহসের নেতৃত্ব।

এই আন্দোলনে যদি কোনো কিছুর অভাব আমি অনুভব করে থাকি, তবে তা হলো গান্ধীর দর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত সংগীত। ফয়েজ আহমদ ফয়েজের কালজয়ী নজম ‘হাম দেখেঙ্গে’ আন্দোলনে বারবার গাওয়া হয়েছে, যা আমারও অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু ভারতের নিজস্ব একটি গানও রয়েছে, যা গান্ধীয় ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে অনন্যভাবে ধারণ করে—‘ঈশ্বর আল্লাহ তেরে নাম, সবকো সন্মতি দে ভগবান।’ এই প্রার্থনা ধর্মীয় পরিচয়ের সীমা অতিক্রম করে আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ভারত সব ধর্মের মানুষের সমান আবাস। সম্ভবত এটি গান্ধীর সম্প্রীতির দর্শনের সবচেয়ে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রকাশগুলোর একটি।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন চললেও অংশগ্রহণকারীদের মনোবল ছিল বিস্ময়করভাবে অটুট। শারীরিকভাবে অনেকেই ক্লান্ত ছিলেন। মানসিকভাবেও তাদের সামনে ছিল অনিশ্চয়তা ও নানা চ্যালেঞ্জ। তবু তাদের আত্মবল কখনো ভেঙে পড়েনি। গান্ধী সবসময় বলতেন, প্রকৃত সাহস আসে নৈতিক বিশ্বাস থেকে, শারীরিক শক্তি থেকে নয়। আন্দোলনকারীরা ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে সংগ্রাম চালিয়ে সেই বিশ্বাসকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।

স্বেচ্ছাসেবকেরা গান্ধীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি—স্বাবলম্বন—বাস্তবে তুলে ধরেছেন। প্রতিদিন তারা আন্দোলনস্থল পরিষ্কার করেছেন, ময়লা সংগ্রহ করেছেন, চিকিৎসা শিবির পরিচালনা করেছেন এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য স্থানগুলো সচল রেখেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ওষুধ দান করেছেন এবং বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। এসব দৃশ্য আমাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় নীরবে আহত সত্যাগ্রহীদের সেবা করা কস্তুরবা গান্ধীর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। খাবার উদারভাবে বিতরণ করা হয়েছে, কিন্তু অপচয় করা হয়নি। সেবা এখানে দয়ার প্রকাশ নয়, মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়েও আন্দোলনকারীরা সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে গণশৌচাগার ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণ করেছেন। এতে আমার মনে পড়েছে টলস্টয় ফার্ম এবং সাবরমতী আশ্রমে গান্ধীর সেই পরীক্ষাগুলোর কথা, যেখানে পরিচ্ছন্নতাকে কেবল নাগরিক দায়িত্ব নয়, নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখা হতো। আন্দোলনস্থলটি যেন আধুনিক এক গান্ধীয় আশ্রমে পরিণত হয়েছিল—যেখানে ভিন্ন পটভূমির মানুষ একসঙ্গে থেকেছেন, একে অন্যের সেবা করেছেন এবং একটি অভিন্ন লক্ষ্য পূরণে কাজ করেছেন।

সব মিলিয়ে, সিজেপি আন্দোলন শুধু রাজনৈতিক প্রতিরোধের গল্প নয়। এটি দেখিয়েছে, গান্ধীর মূল্যবোধ আজও ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত। মানুষ নিজেদের গান্ধীবাদী হিসেবে পরিচয় দিক বা না-ই দিক, যখনই তারা ঘৃণার বদলে সহমর্মিতা, সহিংসতার বদলে সংলাপ, বিভেদের বদলে ঐক্য এবং স্বার্থপরতার বদলে সেবার পথ বেছে নেয়, তখনই তারা তার আদর্শের চর্চা করে।

গান্ধীর রাজনৈতিক চিন্তার সঙ্গে কেউ একমত হতে পারেন, আবার দ্বিমতও পোষণ করতে পারেন। তার পদ্ধতির সমালোচনা করা বা তার ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার নিয়ে বিতর্ক করাও গণতন্ত্রে স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয়। কিন্তু তার দর্শনের নৈতিক ভিত্তি—সত্য, অহিংসা, ধর্মনিরপেক্ষতা, সহমর্মিতা, স্বাবলম্বন এবং সেবা—আজও ভারতের আত্মার গভীরে প্রোথিত। সংকটের মুহূর্তে এগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, অনেক সময় অপ্রত্যাশিতভাবেও।

সিজেপি আন্দোলন শেষ পর্যন্ত আমাদের একটি গভীর সত্যের কথা মনে করিয়ে দেয়। গান্ধীর সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার কখনোই মূর্তি, পাঠ্যপুস্তক বা স্মরণানুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ ছিল না। তার উত্তরাধিকার বেঁচে থাকে সেখানে, যেখানে সাধারণ মানুষ ঘৃণার বদলে মানবতাকে বেছে নেয়। তাই তাকে মুছে ফেলার বা ছোট করে দেখানোর যত চেষ্টাই হোক না কেন, গান্ধী বারবার ফিরে আসেন—একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং ভারতীয় জনগণের সম্মিলিত বিবেকের মধ্য দিয়ে। সেই অর্থে গান্ধী কখনো আমাদের ছেড়ে যাননি। তিনি শুধু এমন মুহূর্তের অপেক্ষায় থাকেন, যখন একটি জাতি আবারও গান্ধী হয়ে ওঠার সিদ্ধান্ত নেয়।

ভাষান্তর: আহসান হাবিব মারুফ

ভারতককরোচ আন্দোলনমহাত্মা গান্ধী
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    মতিঝিলে পিটুনির শিকার ব্যক্তিটি কি বিএনপি নেতা ছিলেন?

    মতিঝিলে পিটুনির শিকার ব্যক্তিটি কি বিএনপি নেতা ছিলেন?

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০০:০৬

    সমাজ বদলের লড়াইয়ে চা বিক্রেতা

    সমাজ বদলের লড়াইয়ে চা বিক্রেতা

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪

    অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে হামলা, ২ এসআই আহত

    অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে হামলা, ২ এসআই আহত

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০০:২১

    ঢাকায় সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

    ঢাকায় সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০০:৫০

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও বর্তমান বাস্তবতা

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও বর্তমান বাস্তবতা

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:০০

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা লাগামহীন তেলের বাজার

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা লাগামহীন তেলের বাজার

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৭

    প্রশ্নফাঁসে উত্থান প্রশ্নফাঁসেই পতন

    প্রশ্নফাঁসে উত্থান প্রশ্নফাঁসেই পতন

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৯

    ঐতিহাসিক দিনে ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ সিনেমার প্রচারণা শুরু

    ঐতিহাসিক দিনে ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ সিনেমার প্রচারণা শুরু

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:২২

    বাসাবাড়িতে নিখোঁজ, নেই গ্যাস স্টেশনেও

    বাসাবাড়িতে নিখোঁজ, নেই গ্যাস স্টেশনেও

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দুই উপকূলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দুই উপকূলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১

    ১০০ ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত বিএসইসির

    ১০০ ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত বিএসইসির

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০

    গুলিতে কিশোরী আহত, তদন্তে পুলিশ

    গুলিতে কিশোরী আহত, তদন্তে পুলিশ

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৩১

    রবিবার বন্ধ রাজধানীর সেসব মার্কেট ও দোকান

    রবিবার বন্ধ রাজধানীর সেসব মার্কেট ও দোকান

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩

    দরকার ধারা ধরে রাখা

    দরকার ধারা ধরে রাখা

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯

    রোগের সঙ্গে লড়ছি, ক্ষুধার সঙ্গেও

    রোগের সঙ্গে লড়ছি, ক্ষুধার সঙ্গেও

    ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯

    advertiseadvertise