বড় বিক্ষোভের পথে ককরোচ

সংগৃহীত ছবি
ধীরে ধীরে বড় আন্দোলনের পথে হাঁটছে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। পুলিশের নিষেধাজ্ঞা ভেঙে দিল্লির যন্তর-মন্তরে টানা তিন দিন বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। শনিবার থেকে শুরু হওয়া ক্ষমতাসীন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ চার দিনে পা রাখল। দাবি একটাই— কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। ৬ জুনের প্রথম কর্মসূচির মতো এবার আর সাত দিনের আলটিমেটাম নয়; অনির্দিষ্টকালের বিক্ষোভ ঘোষণা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ছাড়বে না রাজপথ। জুনের কাঠফাটা রোদের মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রীবিরোধী বিক্ষোভে শত শত তরুণ আসছেন যন্তর-মন্তরে। ফুটপাত-রাস্তায় গিজগিজ করছে ককরোচের নেতাকর্মীরা। রাত কাটাচ্ছেন খোলা আকাশের নিচে। নিটসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম, বেকারত্ব এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংকটকে সামনে রেখে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে আরও বেশি মানুষের নজর কাড়ছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, দেশের ছাত্র-যুবকদের ক্ষোভ দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকলেও সরকার সেই সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দিপকের (৩০) দাবি, তাদের একাধিক সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা দাবি করছেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে যে ক্ষোভ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে, যন্তর-মন্তরের আন্দোলন সেই ক্ষোভেরই প্রতিফলন। তাদের বক্তব্য, সরকারের কাছে বহুবার দাবি জানানো হলেও বাস্তব পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। তাই এবার রাস্তায় নেমে আন্দোলনের সময় এসেছে। এই মুহূর্তে আন্দোলনটি কত দূর যাবে, তা বলা কঠিন। নেপাল বা বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, তা সময় বলবে। কিন্তু যন্তর-মন্তরে শুরু হওয়া এই আন্দোলন যে দেশের ছাত্র-যুবকদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভকে সামনে নিয়ে এসেছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে খুব একটা দ্বিমত নেই।




